📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লাস ভেগাসের ব্যস্ত জীবন ত্যাগ করে শতবর্ষী মানুষের দ্বীপে নতুন জীবন শুরু করেছেন এই নারী

লাস ভেগাসের ব্যস্ত জীবন ত্যাগ করে শতবর্ষী মানুষের দ্বীপে নতুন জীবন শুরু করেছেন এই নারী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস থেকে সন্তান ও পোষা কুকুর নিয়ে ইতালির সান পিয়েত্রো দ্বীপে চলে আসেন ডেব্রা কোলটুনে। এই ‘ব্লু জোন’ দ্বীপে শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা বেশি এবং শান্ত জীবনধারা তাঁকে আকৃষ্ট করে

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের ব্যস্ত জীবন ত্যাগ করে ইতালির ছোট্ট ‘ব্লু জোন’ দ্বীপ সান পিয়েত্রোয় নতুন জীবন শুরু করেছেন খাবারের লেখক ও বিচারক ডেব্রা কোলটুনে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই সন্তান এইডেন ও কাইয়া এবং দুই পোষা কুকুর। এই দ্বীপে শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য এবং স্থানীয় জীবনধারা তাঁকে আকৃষ্ট করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডেব্রা কোলটুনে লাস ভেগাসের ব্যস্ত জীবন ছেড়ে ইতালির সান পিয়েত্রো দ্বীপে চলে আসেন সন্তান ও পোষা কুকুর নিয়ে।
  • 📌 দ্বীপটিতে ছয় হাজার মানুষের কম বাস, কিন্তু শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা বেশি — ‘ব্লু জোন’ হিসেবে পরিচিত।
  • 📌 ডেব্রা প্রথমবার ২০২৩ সালে দ্বীপে গিয়ে টুনা উৎসবের বিচারক হিসেবে যোগ দেন। সেখানকার শান্ত পরিবেশ ও জীবনধারা তাঁকে আকৃষ্ট করে।
  • 📌 সার্দিনিয়া বিশ্বের পাঁচটি ‘ব্লু জোন’-এর একটি, যেখানে দীর্ঘায়ু ও শান্ত জীবনধারা গড়ে উঠেছে।
  • 📌 ডেব্রা বলেন, লাস ভেগাসের ব্যস্ততা থেকে দূরে এসে তিনি খুঁজে পেয়েছেন মানুষ, প্রকৃতি ও পরিবারের সাথে যুক্ত জীবন।

📰 বিস্তারিত

ডেব্রা কোলটুনে খাবারের লেখালেখি ও রিভিউয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০২৩ সালে প্রথমবার ইতালির সান পিয়েত্রো দ্বীপে গিয়ে তিনি টুনা উৎসবের বিচারক হিসেবে যোগ দেন। দ্বীপের শান্ত পরিবেশ ও স্থানীয় জীবনধারা তাঁকে আকৃষ্ট করে। সান পিয়েত্রো ‘ব্লু জোন’ হিসেবে পরিচিত, যেখানে শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা বেশি এবং দীর্ঘায়ু বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়।

সান পিয়েত্রোতে মানুষের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ডাল, শস্য ও উদ্ভিদজাত খাবারের গুরুত্ব বেশি। তবে মাছও খাওয়া হয়। স্থানীয় জীবনধারা শারীরিক সক্রিয়তা, পরিবার ও সামাজিক যোগাযোগের উপর নির্ভরশীল। ডেব্রা লাস ভেগাসের ব্যস্ত জীবন ত্যাগ করে এই দ্বীপে নতুন জীবন শুরু করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই সন্তান এইডেন ও কাইয়া এবং দুই পোষা কুকুর।

ডেব্রা বলেন, “লাস ভেগাসে আমার জীবন ছিল ব্যস্ত ও চাপের। এখানে আমি খুঁজে পেয়েছি শান্তি, পরিবার ও প্রকৃতির সাথে যুক্ত জীবন। প্রতিদিনের ব্যস্ততা থেকে মুক্ত হয়ে আমি এখন চারপাশের মানুষ ও প্রকৃতির সাথে যুক্ত আছি।”

"এই দ্বীপে আমি নতুনভাবে জীবন শুরু করতে পারছি। শুধু দীর্ঘায়ু নয়, জীবনের মানসিক প্রশান্তিও পেয়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সান পিয়েত্রো দ্বীপ, ইতালি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেব্রা কোলটুনে (সন্তান: এইডেন ও কাইয়া)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয় হাজার মানুষের কম বাস, শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা বেশি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖