📌 দৌলতখান উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা রুমা বেগমের ওপর তার সৎ মায়ের নেতৃত্বে বহিরাগতদের মারধর ও সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহত রুমাকে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের দিদারুল্লা গ্রামে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নারীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে সৎ মায়ের নেতৃত্বে বহিরাগতদের হামলায় আহত রুমা বেগম (২১) বর্তমানে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দৌলতখান উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা রুমা বেগমের ওপর মারধর ও সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 সোনিয়া বেগমের নেতৃত্বে ১০-১২ জন বহিরাগত লোক রুমাকে আঘাত করে সোনার আংটি ও গলার চেইন নিয়ে যায়
- 📌 রুমা বেগমের স্বামী আল আমিন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন
- 📌 আহত রুমাকে প্রথমে দৌলতখান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়
- 📌 সোনিয়া বেগমের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে, তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন রুমা বেগমের অভিযোগ, তার বাবা হানিফ মৃধার দ্বিতীয় স্ত্রী সোনিয়া বেগম ১০ থেকে ১২ জন বহিরাগত লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে এসে তার ওপর মারধর চালান। মারধরের সময় তার পরনের পোশাক ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং হাতে থাকা সোনার আংটি ও গলার চেইন নিয়ে যাওয়া হয়। রুমা বেগম বলেন, তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলেও তারা তাকে মারধর করতে থাকে।
রুমা বেগমের বিবরণ অনুযায়ী, তার বাবা হানিফ মৃধা তার মা মারা যাওয়ার পর প্রায় তিন মাস আগে সোনিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকেই সোনিয়া তার বাবার সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এতে বাবা রাজি না হওয়ায় সোনিয়া বাড়ি থেকে চলে যান। এর আগেও পারিবারিক বিরোধের কারণে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে বলে দাবি করেন রুমা।
শুক্রবার বিকেলে রুমা বাড়ির সামনের সিঁড়িতে বসে ছিলেন। সোনিয়া বেগম এসে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু করেন। রুমা বাবার সম্পত্তির বিষয়ে কিছু জানেন না বলার পর সোনিয়া তার ওপর চড়াও হন। পরে বহিরাগতরা রুমাকে মারধর করে সোনার আংটি ও চেইন নিয়ে যায়। রুমা বলেন, ‘আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই’।
রুমা বেগমের স্বামী আল আমিন বলেন, ‘আমার স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সম্পত্তির বিরোধ থাকলে সেটা আমার শ্বশুরের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা উচিত। আমার স্ত্রী ও অনাগত সন্তানের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই’।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফকরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
"আমি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা- এ কথা জানানোর পরও তারা আমাকে মারধর করতে থাকে। একপর্যায়ে আমার সোনার আংটি ও গলার চেইন নিয়ে যায়। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দৌলতখান উপজেলা, ভোলা, চরখলিফা ইউনিয়ন, দিদারুল্লা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমা বেগম (২১), আল আমিন, সোনিয়া বেগম, হানিফ মৃধা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ১০-১২ জন বহিরাগত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!