📌 মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের শ্রমবাজার সরকারের অসাধু চক্রের মাধ্যমে সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি সরকারকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের শ্রমবাজার একটি সিন্ডিকেট ও ফ্যাসিস্টদের হাতে তুলে দিয়ে দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। রোববার বিকেলে দলের পক্ষে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারের অসাধু চক্র মালয়েশিয়া শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার
- 📌 বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার রেমিটেন্স যোদ্ধাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে
- 📌 মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর জন্য মাত্র ২৫টি এজেন্সিকে নির্বাচন করা হয়েছে
- 📌 একজন শ্রমিকের মালয়েশিয়া যেতে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা খরচ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ
📰 বিস্তারিত
মিয়া গোলাম পরওয়ার তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব হলেও বর্তমান ব্যবস্থায় তা উপেক্ষিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারের একটি মহল বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট গঠনের মাধ্যমে সাধারণ শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত দুই দিন আগে দুই দেশের সরকার মাত্র ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা চালু করেছে। এর ফলে শ্রমিকদের খরচ বহুগুণ বেড়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। একজন শ্রমিকের মালয়েশিয়া যেতে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশে দুই হাজারের বেশি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থাকলেও সরকার মাত্র ২৫টি এজেন্সিকে নির্বাচন করেছে। এর ফলে সাধারণ শ্রমিকরা শোষণের শিকার হবেন বলে তিনি মনে করেন। তিনি সরকারকে বৈদেশিক শ্রমবাজারে স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
"বাংলাদেশিদের জন্য সহজ ও স্বল্প খরচে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করা, নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করাই বৈদেশিক ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রধানতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। কিন্তু মন্ত্রণালয়টির কর্তা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে সিন্ডিকেটের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা উদ্বেগজনক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫টি এজেন্সি, ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!