📌 চট্টগ্রামে সাতকানিয়া থানার সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজন সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মোহাম্মদ পারভেজ। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করে দুই দিন থানা হেফাজতে রেখে নির্যাতন করা হয়
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজন সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মোহাম্মদ পারভেজ। আজ রোববার চট্টগ্রাম সিনিয়র স্পেশাল জজ কাজী মিজানুর রহমানের আদালতে তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর আগে গত ১১ জুন আদালত অভিযোগটি স্পেশাল মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাতকানিয়া থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ তারেক ইমরোজ ও উপপরিদর্শক ফজলু
- 📌 অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৬ মে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করা হয় পারভেজকে
- 📌 থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাঁকে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় ও তাঁর মুঠোফোন জব্দ করা হয়
- 📌 অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা গত ১০ এপ্রিল তাঁর বাসায় গিয়ে অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ ও হত্যার হুমকি দেন
- 📌 পারভেজের অভিযোগে বলা হয়েছে, তাঁর দুই হাতে গুরুতর জখম ও বাম কানে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজন সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মোহাম্মদ পারভেজ। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন আদালত অভিযোগটি স্পেশাল মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন। আজ রোববার চট্টগ্রাম সিনিয়র স্পেশাল জজ কাজী মিজানুর রহমানের আদালতে তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন জানান, আদালতে স্পেশাল মামলাটির গ্রহণযোগ্যতার ওপর অধিকতর শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ এখনো হাতে আসেনি। আদেশ পেলে মামলাটির বিস্তারিত জানতে পারব।’
অভিযোগে বলা হয়েছে, মৃত ফরিদুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ পারভেজ স্বল্প বেতনে চাকরি করতেন এবং ব্যবসায়ও যুক্ত ছিলেন। ২০২০ সালের ২৬ মে দুপুরে কোনো পরোয়ানা বা অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে সাতকানিয়া থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যায়। পরে ২৯ মে পর্যন্ত থানা হেফাজতে রেখে তাঁকে নির্যাতন করা হয়। তাঁর দুই হাতে গুরুতর জখম করা হয় এবং বাম কানে আঘাতের কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, তাঁর কাছে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় এবং তাঁর মুঠোফোন জব্দ করা হয়।
"পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাঁর কাছে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। তাঁর মুঠোফোনও নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখান থেকে পরে তাঁকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে যাওয়ার পর বাদী দুই মাস তিন দিন কারা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ পারভেজ (বাদী), সৈয়দ তারেক ইমরোজ (এসআই), ফজলু (উপপরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন (অভিযুক্ত), ২ লাখ টাকা (ঘুষ দাবি), ২ মাস ৩ দিন (কারাগারে চিকিৎসা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!