📌 পশ্চিম জুরাইনের একটি মাদ্রাসার ছাদ থেকে পড়ে ইয়ামিন নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার কারণ নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অস্পষ্টতা প্রকাশ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে
পশ্চিম জুরাইনের একটি মাদ্রাসার ছাদ থেকে পড়ে ইয়ামিন (১০) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার কারণ সম্পর্কে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পশ্চিম জুরাইন তাসফিলুল কোরআন হেফজ মাদ্রাসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়ামিন নামের এক শিক্ষার্থী মাদ্রাসার ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন
- 📌 ঘটনার সময় ছিল রোববার রাত সাড়ে ৯টা
- 📌 মাদ্রাসাটির নাম তাসফিলুল কোরআন হেফজ মাদ্রাসা
- 📌 মৃত শিক্ষার্থীর বয়স ছিল ১০ বছর
- 📌 ঘটনার কারণ নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর পশ্চিম জুরাইনের তাসফিলুল কোরআন হেফজ মাদ্রাসায় রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে এই দুর্ঘটনা। ইয়ামিন নামের ওই শিক্ষার্থী মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম। গত বুধবার মাদ্রাসা ছুটির পর সে বাসায় চলে যায়। এরপর আর মাদ্রাসায় আসেনি বলে জানান প্রিন্সিপাল ফেরদৌস আহমেদ।
প্রিন্সিপাল ফেরদৌস আহমেদ জানান, ইয়ামিন মাদ্রাসায় আসতে চাচ্ছিল না দেখে তার বাবা তাকে বাসা থেকে বুঝিয়ে মাদ্রাসায় নিয়ে যেতে বলেছিলেন। তবে তিনি আর ইয়ামিনকে আনতে যাননি। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইয়ামিনের নানি তাকে মাদ্রাসায় দিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি খবর পান, ইয়ামিন ছাদে চলে গেছে। কিছুক্ষণ পরই সে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যায়।
সঙ্গে সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষকেরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসকরা রাত সোয়া ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
"ইয়ামিন মাদ্রাসায় আসতে চাচ্ছিল না দেখে তার বাবা আমাকে কল করে বলেন, তাকে বাসা থেকে বুঝিয়ে মাদ্রাসায় নিয়ে যেতে। তবে তিনি আর ইয়ামিনকে আনতে যাননি। সবশেষ রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইয়ামিনের নানি তাকে মাদ্রাসায় দিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর সে কৌশলে ছাদের গেটের চাবি নিয়ে ছাদে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর তিনি খবর পান, সে ছাদ থেকে নিচে পড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে ভবনের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।"
ঘটনার বিষয়ে কদমতলি থানা-পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিম জুরাইনের তাসফিলুল কোরআন হেফজ মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়ামিন (১০), প্রিন্সিপাল ফেরদৌস আহমেদ, মো. ফারুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!