📌 নোয়াখালীর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আবদুর রহিম নয় বছর পালিয়ে থাকার পর ফেনীর দাগনভূঞা থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। আদালত তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন
র্যাব-১১-এর অভিযানে নয় বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবদুর রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ফেনীর দাগনভূঞার মিষ্টি মুখ সুইটসের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আবদুর রহিমকে নয় বছর পর গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১
- 📌 ২০১৭ সালে আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেন
- 📌 গ্রেপ্তারের সময় আবদুর রহিমের বয়স ছিল ৪৮ বছর
- 📌 গ্রেপ্তারের পর তাঁকে চরজব্বর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার উত্তর কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত আবদুল বারিকের ছেলে আবদুর রহিমকে ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সোনাইমুড়ী থানায় হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বিচার শেষে ২০১৭ সালে আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আদালতের রায় ঘোষণার পর থেকেই আবদুর রহিম পলাতক হন এবং নয় বছর ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকেন। র্যাব সূত্রে জানা যায়, তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রের স্থায়ী ঠিকানাও পরিবর্তন করেছিলেন। দীর্ঘদিন গোয়েন্দা নজরদারির পর তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
র্যাব-১১-এর সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, গ্রেপ্তার আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে চরজব্বর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
"আদালতের রায় ঘোষণার পর থেকেই আবদুর রহিম পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ নয় বছর ধরে তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। অবশেষে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেনীর দাগনভূঞা, মিষ্টি মুখ সুইটসের সামনে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর রহিম (৪৮)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ বছর, ৫০ হাজার টাকা, ১ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!