📌 কুষ্টিয়ায় গণ অধিকার পরিষদের সমাবেশে জামায়াত-শিবিরের হামলায় এক কর্মীর পায়ের রগ কাটা পড়ে। নেতা-কর্মীরা গুরুতর আহত হন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে
কুষ্টিয়ায় গণ অধিকার পরিষদের কর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ তুলেছেন সংগঠনটির নেতারা। রোববার রাতে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা জানান, শনিবার বিকেলে ছয় রাস্তার মোড়ে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ শেষে অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণ অধিকার পরিষদের এক কর্মীর পায়ের দুইটি রগ কেটে দেয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা
- 📌 হামলায় নেতা-কর্মীদের মারধর ও গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ
- 📌 কুষ্টিয়া জেলা গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ
- 📌 সংসদ সদস্য আমির হামজাকে হামলার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
গণ অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ রোববার রাতে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জানান, শনিবার বিকেলে তাঁদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল। সমাবেশ শেষে সংসদ সদস্য আমির হামজা ও তাঁর অনুসারীরা অতর্কিত হামলা চালান। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়। এক কর্মীর পায়ের দুইটা রগ কেটে দেয় তারা।’
তৌকির আহমেদ আরও জানান, হামলায় তাঁদের আরেক নেতার নাকের হাড় ভেঙে যায় এবং কপালের হাড় ফেটে যায়। অসংখ্য নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হন। তিনি অভিযোগ করেন, আবদুল খালেকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে মালামাল ও টাকা ভাঙচুর করা হয়।
তৌকির আহমেদ আমির হামজাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমির হামজা বলেছেন, “আমি নাকি ইট দিয়ে প্রথম আঘাত করেছি।” আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, এমন কোনো ছবি বা ভিডিও যদি আমির হামজা দেখাতে পারেন, তবে আমি নাকে খত দিয়ে রাজনীতি ছেড়ে দেব। আর যদি না দেখাতে পারে, তবে আমির হামজাকে নাকে খত দিতে হবে।’
‘আমাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দেয় তারা। তার পায়ের দুইটা রগ কেটে গেছে। আরেকজন নেতার নাকের হাড় ভেঙে যায় এবং কপালের হাড় ফেটে যায়। এ ছাড়া জামায়াত-শিবিরের হামলায় অসংখ্য নেতা–কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৌকির আহমেদ, আমির হামজা, আবদুল খালেক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুইটি (পায়ের রগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!