📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুড়িগ্রামের মাদ্রাসায় বেতন বন্ধে সুপারের অবরুদ্ধকরণ: শিক্ষকদের বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক জটিলতা

কুড়িগ্রামের মাদ্রাসায় বেতন বন্ধে সুপারের অবরুদ্ধকরণ: শিক্ষকদের বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক জটিলতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে শিক্ষকরা সুপার ও অফিস সহকারীকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বেতন বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা বিক্ষোভ করে। মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, সুপারের চাচাতো ভাইকে ইবতেদায়ি শিক্ষক হিসেবে পদায়ন করার কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে শিক্ষক ও কর্মচারীরা সুপার ও অফিস সহকারীকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন। সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই অবরুদ্ধকরণে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানকে বেলা ৩টার আগ পর্যন্ত কার্যালয়ে বন্দী রাখা হয়। এই সময় মাদ্রাসার সামনে শিক্ষক ও কর্মচারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করে ‘ছয় মাস ধরে বেতন নাই, বেতন চাই’ স্লোগান দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সুপার ও অফিস সহকারীকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখা হয়
  • 📌 শিক্ষক ও কর্মচারীদের দাবি: ছয় মাসের বকেয়া বেতন বন্ধ থাকায় সংসার চলছে না
  • 📌 প্রশাসনিক জটিলতার কারণ: সুপারের চাচাতো ভাই শফিয়ার রহমানকে ইবতেদায়ি শিক্ষক হিসেবে পদায়ন করার কারণে বেতন বন্ধ
  • 📌 মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই এনটিআরসির নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির মামলায় সুপার সাইদুর রহমান গ্রেপ্তার হন
  • 📌 মাদ্রাসার ১৮ শিক্ষক-কর্মচারী ও ২১৯ শিক্ষার্থী রয়েছে

📰 বিস্তারিত

মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ইমরুল কায়েস প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা শিক্ষক। মানুষ আমাদের কাছে আরও ভদ্র আচরণ প্রত্যাশা করে। কিন্তু পেটের দায়ে সুপার স্যার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করতে হয়েছে। ছয় মাস ধরে বেতন বন্ধ। আমরা বাজারে যেতে পারি না। আমাদের সংসার কীভাবে চলবে?’ তিনি আরও বলেন, ‘সুপার স্যার আমাদের অধীনে চাকরি করছেন। তিনি কীভাবে সমস্যার সমাধান করবেন, সেটা তাঁর বিষয়।’

মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, ‘অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানের পদবি পরিবর্তন করে তাঁকে ইবতেদায়ি শিক্ষক হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই ভুল সংশোধনের জন্য এনটিআরসিএতে কাজ চলছে। পদবি সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে বেতন নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি তা নিতে রাজি না হওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।’

সহকারী শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন, ‘মাদ্রাসা সুপার অফিস সহকারীকে ইবতেদায়ি শিক্ষক হিসেবে পদায়ন করেছেন। এ কারণে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা কেউ বেতন পাচ্ছেন না। তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সমাধান চান।’

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি ১৯৮৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাদ্রাসাটিতে ২১৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ১৮।

"আমরা শিক্ষক। মানুষ আমাদের কাছে আরও ভদ্র আচরণ প্রত্যাশা করে। কিন্তু পেটের দায়ে সুপার স্যার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করতে হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা, কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইদুর রহমান (সুপার), শফিয়ার রহমান (অফিস সহকারী), ইমরুল কায়েস (সহকারী শিক্ষক), আতাউর রহমান (সহকারী শিক্ষক), প্রভাষক শহিদুল ইসলাম আকন্দ (সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী, ২১৯ জন শিক্ষার্থী, ৬ মাস বকেয়া বেতন, ২৩ জুলাই ২০২৩ (গ্রেপ্তার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖