📌 নোয়াখালীর হাতিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা দিনাজ উদ্দিন জোরপূর্বক চারটি দোকানে তালা দিয়ে দখল করেছেন। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন সহকারী পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা দিনাজ উদ্দিন জোরপূর্বক চারটি দোকানে তালা দিয়ে দখল করেছেন। ঘটনাটি ঘটে গত রোববার বিকেলে জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। দোকানিদের বের করে দিয়ে তালা দেওয়া হয় এবং ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাতিয়া উপজেলা: স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা দিনাজ উদ্দিন ৪টি দোকানে তালা দিয়ে দখল করেছেন।
- 📌 জমির মালিকানা বিরোধ: নাসির উদ্দিনের দাবি, দিনাজ উদ্দিন ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল করে আসছে।
- 📌 হুমকি ও বাধা: দোকানিদের বের করে দিয়ে তালা দেওয়া হয় এবং ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
- 📌 পুলিশ তদন্ত: সহকারী পুলিশ সুপারের নির্দেশে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মমিনুল হক তদন্ত করবেন।
- 📌 অভিযুক্তের দাবি: দিনাজ উদ্দিন দাবি করেছেন, জমির মালিকানা তাদের এবং আদালতের নির্দেশ ছাড়া তালা দেওয়া যাবে না।
📰 বিস্তারিত
জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঘটনাটি ঘটে গত রোববার বিকেল ৪টার দিকে। দিনাজ উদ্দিন, যিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক, দোকানিদের বের করে দিয়ে চারটি দোকানে তালা লাগিয়ে দখল করেছেন। নাসির উদ্দিনের অভিযোগ, দিনাজ উদ্দিন ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছেন। নাসির উদ্দিনের দাবি, তাঁরা আদালতে মামলা করেছেন, যা বিচারাধীন।
নাসির উদ্দিন সহকারী পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি দোকানঘরের তালা খুলে দেওয়ার এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মমিনুল হক বলেছেন, সহকারী পুলিশ সুপারের নির্দেশে তিনি তদন্ত করবেন। তিনি আরও বলেছেন, আদালতের নির্দেশ ছাড়া কারও ঘরে তালা দেওয়া যাবে না এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দিনাজ উদ্দিনের দাবি, ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব দেখিয়ে তাঁদের জমি দখল করা হয়েছিল। তিনি বলেন, সরকার পতনের পর নৌবাহিনীর কারণে দখল করা সম্ভব হয়নি। গতকাল হাতিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের বৈঠকে নাসির উদ্দিনের পক্ষ থেকে কোনো মালিকানার কাগজপত্র দেখানো হয়নি।
"তাঁরা ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব দেখিয়ে আমাদের এই জায়গা দখল করে। এর পর আমরা দেওয়ানি মামলা করি। সরকার পতনের পর নৌবাহিনীর কারণে আমরা দখলে যেতে পারিনি। গতকাল হাতিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। তাতে তাঁরা মালিকানার কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এই জায়গা আমাদের, তাই আমরা দখলে নিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাহাজমারা ইউনিয়ন, হাতিয়া উপজেলা, নোয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিনাজ উদ্দিন (স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা), নাসির উদ্দিন (ভুক্তভোগী), মমিনুল হক (পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি দোকানে তালা দেওয়া, ২ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!