📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুড়িগ্রামে সারের অভাবে বিপাকে কৃষকেরা: আমন ধানে চাহিদা মেটাতে পারছে না সরকার

কুড়িগ্রামে সারের অভাবে বিপাকে কৃষকেরা: আমন ধানে চাহিদা মেটাতে পারছে না সরকার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় আমন ধান চাষে প্রয়োজনীয় সারের অভাবে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। সরকারি বরাদ্দ কম হওয়ার পাশাপাশি বিতরণ ব্যবস্থায় রয়েছে জটিলতা। ফলে খোলাবাজার থেকে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় আমন ধান চাষে প্রয়োজনীয় সারের অভাবে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। সরকারি বরাদ্দ কম হওয়ার পাশাপাশি বিতরণ ব্যবস্থায় রয়েছে জটিলতা। ফলে খোলাবাজার থেকে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, ধান রোপণের পরও সময়মতো সার পাচ্ছেন না তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় আমন ধানে ১৬ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে
  • 📌 শিলখুড়ি ইউনিয়নে প্রয়োজন ১ হাজার ১৭০ মেট্রিক টন সার, সরবরাহ মাত্র ১১৯ দশমিক ৯ মেট্রিক টন
  • 📌 ইউরিয়া সারের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি — প্রয়োজন ৪৩৮ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন, সরবরাহ মাত্র ৬৮ মেট্রিক টন
  • 📌 ধান রোপণের ২৬ দিন পরও সার না পেয়ে খোলাবাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে কৃষকদের
  • 📌 গতকাল সোমবার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সদর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে শিলখুড়ি ইউনিয়নে প্রতিবেদক সরেজমিন অনুসন্ধান চালান

📰 বিস্তারিত

ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় চলতি রোপা আমন মৌসুমে ১৬ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। এর বিপরীতে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি মিলিয়ে মোট ১ হাজার ১২৪ দশমিক ৪৫ মেট্রিক টন সার বরাদ্দ রয়েছে। শিলখুড়ি ইউনিয়নে আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, ধান রোপণের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সার পাননি তারা।

শিলখুড়ি ইউনিয়নের পাগলার হাট এলাকার কৃষক মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ধান রোপণের নিয়ম অনুযায়ী ২১ দিনের মধ্যে সার দেওয়ার কথা। কিন্তু ২৬ দিনেও তিনি সার পাননি। তাঁর ভাষ্য, সরকারি মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে খোলাবাজারে সার কিনতে হচ্ছে। ইউনিয়নের আরেক কৃষক আজিজুল হক বলেন, ‘ধান চাষ করে নিজের বিপদ নিজেই এনেছি। এখন সারের জন্য ঘুরব, নাকি জমিতে ধানের পরিচর্যা করব?’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কৃষকেরা আমন আবাদে প্রতি বিঘায় গড়ে ৮০ কেজি সার ব্যবহার করেন। এর মধ্যে ইউরিয়া ৩০ কেজি, টিএসপি ১৫ কেজি, ডিএপি ২০ কেজি ও এমওপি ১৫ কেজি। সেই হিসাবে শিলখুড়িতেই প্রায় ১ হাজার ১৭০ মেট্রিক টন সার প্রয়োজন।

‘সরকারি মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে খোলাবাজারে সার কিনতে হচ্ছে।’ — মোহাম্মদ আলী, কৃষক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভূরুঙ্গামারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আলী, আজিজুল হক (কৃষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ হাজার ৯০০ (হেক্টর), ১ হাজার ১৭০ (মেট্রিক টন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖