📌 জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের দুই কর্মী ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, বিমান থেকে আসা মশার মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ঘটেছে। এছাড়া আরও চারজন কর্মী চিকিৎসাধীন রয়েছেন
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের দুই কর্মী ম্যালেরিয়া সংক্রমণের ফলে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছে শহরের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে ছয়জন কর্মী সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও মৃত্যুর সংখ্যা বৃহস্পতিবার দুইয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের দুই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে ম্যালেরিয়া সংক্রমণে
- 📌 বিমান থেকে আসা মশার মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ঘটেছে বলে ধারণা করছে রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট
- 📌 ছয়জন কর্মী সংক্রমিত হলেও মৃত্যুর সংখ্যা দুইয়ে উন্নীত হয়েছে
- 📌 বাকি চারজন কর্মীকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের দুই কর্মী ম্যালেরিয়া সংক্রমণের ফলে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছে শহরের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে ছয়জন কর্মী সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও মৃত্যুর সংখ্যা বৃহস্পতিবার দুইয়ে দাঁড়িয়েছে। রবার্ট কখ ইনস্টিটিউট (আরকেআই) জানিয়েছে, বিমান থেকে আসা অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জার্মানিতে ম্যালেরিয়া বিরল হলেও বিমানবন্দর এলাকায় এই ধরনের সংক্রমণের ঘটনা বিরল নয়। আরকেআই জানিয়েছে, দেশটিতে সর্বশেষ বিমানবন্দর-সংক্রান্ত ম্যালেরিয়া প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল ২০২৩ সালে। সংস্থাটি আরও জানায়, বিরলতার কারণে চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে রোগটি সনাক্ত করতে না পারায় রোগ নির্ণয়ে দেরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে।
বিমানবন্দরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, চারজন সংক্রমিত কর্মীকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বিমানবন্দর এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। ধরা পড়া মশাগুলো জেনেটিক পরীক্ষার জন্য বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে পাঠানো হবে।
"ম্যালেরিয়া একটি গুরুতর, মশাবাহিত সংক্রামক রোগ যা অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা এবং তীব্র জ্বর ও শীতল অনুভূতির মতো উপসর্গ অনুভব করতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের কর্মীগণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুইজন মৃত্যু, ছয়জন সংক্রমিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!