📌 গাইবান্ধায় স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলের সময় পুলিশ সদস্য হাবিবুর রহমান (৩৩) আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থল ছিল জেলা পুলিশ সুপারের বাংলোর ব্যারাক। পারিবারিক কলহকে প্রাথমিকভাবে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ
গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপারের সরকারি বাংলোর ব্যারাক থেকে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলের সময় পুলিশ সদস্য হাবিবুর রহমান (৩৩) আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপারের বাংলোর ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমানের মৃতদেহ উদ্ধার
- 📌 স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলের সময় ওয়াশরুমে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা
- 📌 নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়
- 📌 ঘটনার সময় তিনি রোজা রাখছিলেন বলে জানিয়েছেন ওসি
- 📌 পারিবারিক কলহ থেকে ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপারের সরকারি বাংলোর ব্যারাক থেকে স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলের সময় পুলিশ সদস্য হাবিবুর রহমান (৩৩) আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে। গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল বলেন, ‘দুপুরে মোবাইল ফোনে হাবিবুর তার স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে ঝগড়া করছিলেন। ঝগড়ার একপর্যায়ে তিনি ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন এবং স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলের সময় আত্মহত্যা করেন।’
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার আগে/পরে ওয়াশরুমে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন নায়েক হাবিবুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হয়। তিনি বলেন, ‘পারিবারিক কলহ থেকে এই আত্মহত্যা ঘটিয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।’
হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫ থেকে ৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি গত ১২ আগস্ট ঢাকা থেকে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ড হিসেবে যোগদান করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভেতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়।
‘হাবিবুরের উগ্রতা দেখে তার স্ত্রী আমাদের জানাতে পারতেন অথবা ৯৯৯ নম্বরেও হেল্প চাইতে পারতেন।’ — গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেলা, পুলিশ সুপারের বাংলোর ব্যারাক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাবিবুর রহমান (৩৩), স্ত্রী, ওসি নাজমুল, শেখ মুত্তাজুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ বছর, ২৬ আগস্ট, সাড়ে ৩টা, ৫-৭ বছর, ১২ আগস্ট, ৯৯৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!