📌 নেপালের রসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ১৫০ জন। নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন পর্যটক। তিব্বত সীমান্ত থেকে আসা পানির ঢলে সৃষ্ট এই দুর্যোগে রাস্তা, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প ধ্বংস হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকলেও হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নেপালের রসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ১৫০ জন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন পর্যটক। বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন রসুয়া জেলায় এই দুর্যোগ ঘটে। ঘটনাটিকে দুর্যোগ ঘোষণা করে রসুয়া জেলার প্রশাসক জানিয়েছেন, তারা ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যু ছাড়িয়েছে ১৫০ জন, নিখোঁজ ৪০৩ জন পর্যটক
- 📌 নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের রসুয়া জেলায় ঘটেছে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস
- 📌 তিব্বত সীমান্ত থেকে আসা পানির ঢলে সৃষ্টি হয়েছে এই দুর্যোগ
- 📌 ভূমিধসের কারণে ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়
- 📌 রাস্তা, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন রসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মিনিটের মধ্যে বিশাল মাটি ও পলির দেয়াল গড়িয়ে এসে সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। মানুষ দৌঁড়ে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলেও কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সেই কালো মাটি ও পলির দেয়াল সবকিছুকে গ্রাস করে ফেলে।
রসুয়া জেলার প্রশাসক জানিয়েছেন, তারা ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন। ঘটনার পরপরই নেপালের পর্যটন বোর্ড জানায়, এখনো ৪০৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬১ জন নেপালি এবং ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারতের ১৩৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ২০০ জন নারী ও ২০৩ জন পুরুষ। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ২৬টি দেশের নাগরিক রয়েছেন।
নেপালি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সীমান্তের তিব্বত অংশ থেকে আসা পানির ঢলে এই বন্যার সৃষ্টি হয়। কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিজন ভক্ত কায়স্থের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, একটি বরফধসের কারণে লেন্দে নদীর গতিপথ আটকে যায়। এর জের ধরেই ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। ভোতেকোশি লেন্দে নদীরই একটি উপনদী।
"এই বন্যায় রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। দুই দেশের কর্তৃপক্ষই আশঙ্কা করছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।"
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, নেপাল সীমান্তেই মূলত ভূমিধসের ঘটনাটি ঘটেছে। এটি জিরং বন্দরে আঘাত হানে। এতে নেপাল সীমান্তবর্তী শিগাতসে অঞ্চলে সড়ক, যোগাযোগব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এখনো উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। যাচাই করা ভিডিওতে সীমান্ত এলাকায় বহু মানুষকে পানির স্রোতে ভেসে যেতে দেখা গেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রসুয়া জেলা, নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রসুয়া জেলার প্রশাসক, নেপালি পর্যটন বোর্ড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ১৫০+, নিখোঁজ ৪০৩ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!