📌 ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদে বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ২০০ বছরের পুরোনো নৌকাবাইচ। দীর্ঘ এক যুগ বন্ধ থাকার পর ২৬টি নৌকায় অংশগ্রহণ করে দর্শনার্থীদের মধ্যে আনন্দের ঢেউ পড়ে। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য উভয়েই ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবনের প্রশংসা করেন
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদে বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ২০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। দীর্ঘ এক যুগ বন্ধ থাকার পর শুক্রবার বিকেলে এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে নৌকাবাইচের আয়োজন করা হয়। নদীর দুপাড়ে সকাল থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় জমাতে থাকে এবং বিকেলে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নৌকাগুলো পানিতে ভাসতে শুরু করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদে বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ২০০ বছরের পুরোনো নৌকাবাইচ
- 📌 দীর্ঘ এক যুগ বন্ধ থাকার পর এই বছর ২৬টি নৌকায় অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানটি
- 📌 প্রতিযোগিতায় কোনো নৌকাকে প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় ঘোষণা না করে সবাইকে সম্মানসূচক পুরস্কার প্রদান করা হয়
- 📌 দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উল্লাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়
- 📌 সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, আগামীতে সারা দেশে এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে
- 📌 ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, এই নৌকাবাইচ আমাদের প্রাণের উৎসব
📰 বিস্তারিত
কুমার নদে অনুষ্ঠিত এই নৌকাবাইচে দীর্ঘ বারো বছর পর ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানটি পুনরায় চালু করা হয়। নৌকাবাইচের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে নির্মল আনন্দ দেওয়া এবং হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনা। নদীর দুপাড়ে সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় জমাতে থাকে এবং বিকেলে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নৌকাগুলো পানিতে ভাসতে শুরু করে। ঢাক-ঢোলের তালে তালে নৌকার মাঝিরা উল্লাসে মেতে ওঠেন, যার ঢেউ লাগে নদীর তীরে অপেক্ষারত দর্শকদের মাঝেও।
দর্শনার্থীদের মাঝে ছিল ব্যাপক উন্মাদনা। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শকরা জানান, ‘ঐতিহ্যবাহী এই নৌকাবাইচ দেখতে সকাল থেকেই আমরা নদীর পাড়ে ভিড় করেছি। এত মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যেও আমরা দারুণ আনন্দ উপভোগ করেছি।’
ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘এই নৌকাবাইচ আমাদের প্রাণের উৎসব। দীর্ঘদিন নানা জটিলতায় এটি বন্ধ ছিল। সবার সহযোগিতায় আমরা আবারও তা চালু করেছি এবং এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’ সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, ‘নৌকাবাইচ দেখতে বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে এসেছেন। ভাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী এই নৌকাবাইচ অনেকদিন পর চালু হলো। আমাদের দল আগামীতে সারা দেশেই এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচের আয়োজন করবে।’
নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে নদী সংলগ্ন পুরো ভাঙ্গা এলাকায় বিশাল এক গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়। বাইচ দেখতে আসা দর্শনার্থীরা উৎসবের আনন্দ শেষে ফিরতি পথে মেলা থেকে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে বাড়ি ফেরেন। সবার প্রত্যাশা, গ্রামবাংলার চিরায়ত এই ঐতিহ্য প্রতি বছর এভাবেই কুমার নদের বুকে উৎসবের রং ছড়াবে।
"এই নৌকাবাইচ আমাদের প্রাণের উৎসব। দীর্ঘদিন নানা জটিলতায় এটি বন্ধ ছিল। সবার সহযোগিতায় আমরা আবারও তা চালু করেছি এবং এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"
"নৌকাবাইচ দেখতে বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে এসেছেন। ভাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী এই নৌকাবাইচ অনেকদিন পর চালু হলো। আমাদের দল আগামীতে সারা দেশেই এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচের আয়োজন করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুরের ভাঙ্গা, কুমার নদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম (প্রতিমন্ত্রী), শহিদুল ইসলাম বাবুল (সংসদ সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬টি নৌকা, ২০০ বছর পুরোনো ঐতিহ্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!