📌 কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে নলকূপ খননের সময় গ্যাসের আগুন চার দিন ধরে জ্বলছে। ১৪৪ ধারা জারি করে এলাকার ২০০ মিটার এলাকা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় মাটির নিচ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন চার দিন ধরে জ্বলছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ২০০ মিটার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **গ্যাসের আগুন চার দিন ধরে জ্বলছে**: মঙ্গলবার সকাল সাতটায় নলকূপ খননের সময় আগুন জ্বলল, এখনো নিভে যায়নি
- 📌 **১৪৪ ধারা জারি**: উপজেলা প্রশাসন ২০০ মিটার এলাকায় আগুন জ্বালানোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে
- 📌 **১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ**: গ্যাসের আগুন বৈদ্যুতিক লাইনে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ৩৩ কেভি লাইনের ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে
- 📌 **৯ হাজার গ্রাহক প্রভাবিত**: বিদ্যুৎ বন্ধের কারণে অন্তত ৯ হাজার গ্রাহক দুর্ভোগে পড়েছেন
- 📌 **বাপেক্সের বিশেষ নির্দেশ**: মাটির নিচের গ্যাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুন জ্বলতে দিতে হবে, জোর করে নেভানোর চেষ্টা নিষিদ্ধ
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সকাল সাতটায় ইনানী মেরিন ড্রাইভের ছোট ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় মোস্তফা সিকদারের বাড়ির আঙিনায় নলকূপ খননের সময় গ্যাসের আগুন জ্বলতে শুরু করে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে আসা সত্ত্বেও চার দিন পরেও আগুন নিভে যায়নি। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল উপস্থিত রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, নানাভাবে চেষ্টা চালানো হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দলের নির্দেশনা অনুযায়ী, মাটির নিচের গ্যাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুন জ্বলতে দিতে হবে। জোর করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে মাটির নিচে আগুন অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে বড় বিপদ হতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের মনখালী-পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। এতে অন্তত ৯ হাজার গ্রাহক দুর্ভোগে পড়েন। বৃহস্পতিবার রাতে বিকল্প ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তারের সই করা আদেশে বলা হয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগুনের উৎসের আশপাশের এলাকাকে বিভিন্ন নিরাপত্তা জোনে ভাগ করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদেশে আগুন জ্বালানো, ধূমপান, দেশলাই বা লাইটার ব্যবহারসহ স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে এমন সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
"মাটির নিচের স্তরের গ্যাস শেষ হয়ে গেলে আগুন নিভে যাবে। জোর করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলে মাটির নিচে আগুন অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে বড় বিপদ হতে পারে।"
— বাপেক্সের ব্যবস্থাপক ও ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের প্রধান এস এম নাফিফুর আরহাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, উখিয়া উপজেলা, ইনানী, মেরিন ড্রাইভ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পান্না আক্তার (ইউএনও), মো. আ. মান্নান (জেলা প্রশাসক), মোস্তফা সিকদার, এস এম নাফিফুর আরহাম (বাপেক্স)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৪ (ধারা), ২০০ (মিটার), ১৫ (কিলোমিটার), ৯ (হাজার গ্রাহক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!