📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কোজাগরী পূর্ণিমায় বাঙালি পরিবারগুলো উদযাপন করছে লক্ষ্মীপূজার ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি

কোজাগরী পূর্ণিমায় বাঙালি পরিবারগুলো উদযাপন করছে লক্ষ্মীপূজার ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২৫ অক্টোবর রোববার কোজাগরী পূর্ণিমায় সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে লক্ষ্মীপূজা। লোকবিশ্বাসে বিশ্বাস করা হয়, এই রাতে দেবী লক্ষ্মী ঘরে ঘরে আসেন এবং আলো ও জেগে থাকার মাধ্যমে ধন-সম্পদ আনেন। পূজায় সিঁদুর, মঙ্গলঘট, আলপনা ও পাঁচালির মতো ঐতিহ্যবাহী উপকরণ ব্যবহৃত হয়

২৫ অক্টোবর রোববার সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা। ঢাকাসহ দেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারে এই পবিত্র পূর্ণিমা তিথিতে দেবী লক্ষ্মীর পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতে দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন এবং ঘরে ঘরে দেখেন কে জেগে আছে। যে পরিবারে আলো জ্বালানো থাকে এবং দেবীর পূজা করা হয়, সেই পরিবারে ধন-সম্পদ আসে বলে বিশ্বাস করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ অক্টোবর রোববার কোজাগরী পূর্ণিমায় উদযাপিত হচ্ছে লক্ষ্মীপূজা, যা আশ্বিন মাসের প্রথম পূর্ণিমা তিথি।
  • 📌 বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে শুরু করে ২৬ অক্টোবর সকাল ৯টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত এই পূর্ণিমা তিথি স্থায়ী হবে।
  • 📌 লোকবিশ্বাসে, দেবী লক্ষ্মী রাতে ঘরে ঘরে আসেন এবং আলো ও জেগে থাকা পরিবারে ধন-সম্পদ আনেন।
  • 📌 পূজায় ব্যবহৃত হয় সিঁদুর, মঙ্গলঘট, আলপনা, ধান, ফুল, দূর্বা, তুলসী, হরীতকী, চন্দন, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য, আতপ চাল ও বিশুদ্ধ জল।
  • 📌 লক্ষ্মীপূজার অন্যতম রীতিনীতি হলো চিরায়ত পাঁচালি পাঠ এবং দেবীর পায়ের ছাপ আঁকা।

📰 বিস্তারিত

লক্ষ্মীপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যেখানে দেবী লক্ষ্মীকে ধন-সম্পদ, আলো, জ্ঞান ও সৌভাগ্যের দেবী হিসেবে পূজা করা হয়। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, দেবী লক্ষ্মী ভগবান বিষ্ণুর সঙ্গিনী হিসেবে সীতা ও রাধারূপে পরিচিত। এই দেবীর বাহন হিসেবে পূজিত হয় শান্ত প্রকৃতির প্যাঁচা। প্রাচীনকাল থেকে রাজা-মহারাজা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ গৃহস্থ সবাই এই পূজা অনুষ্ঠিত করেন।

লক্ষ্মীপূজার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো রাত্রি জাগরণ। ‘কোজাগরী’ শব্দের অর্থ ‘কে জাগরী’ বা ‘কে জেগে আছে’। এই রাতে দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন এবং ঘরে ঘরে দেখেন কে জেগে আছে। যে পরিবারে আলো জ্বালানো থাকে এবং দেবীর পূজা করা হয়, সেই পরিবারে ধন-সম্পদ আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। পূজার সময় গৃহস্থরা সারাদিন উপবাস রাখেন এবং সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জলন করে দেবীর চরণে অঞ্জলি অর্পণ করেন।

পূজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে সিঁদুর, মঙ্গলঘট, ধান, মাটি, আম্রপল্লব, ফুল, দূর্বা, তুলসীপাতা, হরীতকী, চন্দন, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য, আতপ চাল ও বিশুদ্ধ জল। পূজা উপলক্ষে গৃহস্থের আঙিনায় চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করা হয় নান্দনিক আলপনা এবং দেবীর ছোট ছোট পায়ের ছাপ আঁকা হয়, যা বিশ্বাস করা হয় মা লক্ষ্মীর আগমনী বার্তা বহন করে। এছাড়া মঙ্গলঘটের পাশাপাশি ধানের ছড়ার সাজ পুরো পরিবেশকে পবিত্র ও আধ্যাত্মিক আম্রে আচ্ছন্ন করে রাখে।

"দেবী লক্ষ্মী কেবল ধনধান্যের প্রতীকই নন, বরং তিনি মানবজীবনের উন্নতি, দানশীলতা, সাহস, সৌন্দর্য ও আলোরও উৎস।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সারা দেশে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেবী লক্ষ্মী, সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার, গৃহস্থরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর, ১১টা ৫৫ মিনিট, ২৬ অক্টোবর, ৯টা ৪১ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖