📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেহেরপুরে ১০ কোটি টাকার পানি শোধনাগার চালু না হলে পৌরবাসীরা কেন দুর্গন্ধময় পানিতে ভুগছেন?

মেহেরপুরে ১০ কোটি টাকার পানি শোধনাগার চালু না হলে পৌরবাসীরা কেন দুর্গন্ধময় পানিতে ভুগছেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেহেরপুর পৌরসভার ১০ কোটি টাকায় নির্মিত নতুন পানি শোধনাগার চার বছর পরও চালু হয়নি। পুরোনো শোধনাগারের কার্যক্ষমতা কমে পৌরবাসীরা সুপেয় পানির সংকটে ভুগছেন। পাইপলাইনে আয়রন জমে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে

মেহেরপুর পৌরসভার ১০ কোটি টাকায় নির্মিত নতুন পানি শোধনাগার চার বছর পরও চালু না হওয়ায় পৌরবাসীরা দুর্গন্ধময় পানিতে ভুগছেন। পৌরসভার ১ কোটি ২০ লাখ লিটার পানির দৈনিক চাহিদা পূরণে মাত্র ৫০ লাখ লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে, যার ফলে প্রতিদিন ৭০ লাখ লিটার পানি কম সরবরাহ হচ্ছে। পাইপলাইনে আয়রন জমে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং কিছু এলাকায় সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেহেরপুর পৌরসভার ১০ কোটি টাকায় নির্মিত নতুন পানি শোধনাগার ২০২৪ সালে হস্তান্তর হলেও চালু হয়নি
  • 📌 পৌরসভার ৪ হাজার ৩৭০ জন গ্রাহকের মধ্যে অনেকের পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ
  • 📌 পাইপলাইনের ৫৫ শতাংশে আয়রন জমে পানি সরবরাহ ব্যাহত, দীর্ঘ ১৫০ কিলোমিটার পাইপলাইন পরিষ্কার না হওয়ায়
  • 📌 পৌরসভার সরবরাহ করা পানিতে ময়লা, কেঁচো ও দুর্গন্ধ থাকায় বাসিন্দারা বোতলজাত পানি কিনতে বাধ্য
  • 📌 জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর দাবি, শোধনাগারটি চালু অবস্থায় পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

মেহেরপুর পৌরসভার পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ত্রাসের সৃষ্টি করেছে নতুন পানি শোধনাগারের অচল অবস্থা। ২০১৫ সালে নির্মাণ শুরু হওয়া এই শোধনাগারটি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হলেও এখনও চালু হয়নি। পৌরসভার প্রকৌশলী হারুন উর রশিদ জানান, দক্ষ কারিগরি জনবল ও অর্থের অভাবে নতুন শোধনাগার চালু করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, পুরোনো শোধনাগারের কার্যক্ষমতা কমে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

পৌরসভার ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনে আয়রন জমে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। পাইপলাইনের প্রায় ৫৫ শতাংশে আয়রন জমে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। পৌরসভার ৪ হাজার ৩৭০ জন সুপেয় পানির গ্রাহকদের মধ্যে অনেকের পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পৌরসভার পানি সরবরাহের দৈনিক চাহিদা ১ কোটি ২০ লাখ লিটার, কিন্তু সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৫০ লাখ লিটার।

পৌরবাসীরা পানির দুর্গন্ধ ও ময়লার কারণে বোতলজাত পানি কিনতে বাধ্য। স্টেডিয়াম পাড়ার বাসিন্দা সালেহা খাতুন বলেন, ‘পানি নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত। আমরা এই পানি গরু গোসল ও কাপড় পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করি। এই পানি কি খাওয়া যায়?’ অন্যরা বলছেন, পানিতে ময়লা, পোকা ও শেওলা থাকায় তারা পান করতে পারছেন না।

"পানি নোংরা ও দুর্গন্ধ। আমরা এই পানি দিয়ে গরু গোসল করাই, কাপড় পরিষ্কার করি। এই যে দেখছেন পানি ধরে রাখছি, এই পানি কি খাওয়া যায়?"

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন জানান, শোধনাগারটি চালু অবস্থায় পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পৌরসভার দাবি, দক্ষ জনবল ও অর্থের অভাবে নতুন শোধনাগার চালু করা সম্ভব হয়নি। পৌরসভার প্রকৌশলী হারুন উর রশিদ বলেন, নতুন পাইপলাইন বসানোর জন্য সরকারি উদ্যোগ ছাড়া পৌরসভার পক্ষে টাকা ব্যয় করা কঠিন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেহেরপুর পৌরসভা, স্টেডিয়াম পাড়া, মল্লিকপাড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারুন উর রশিদ (প্রকৌশলী), সালেহা খাতুন, ফয়সাল হোসেন, মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি টাকা (শোধনাগার নির্মাণ ব্যয়), ১ কোটি ২০ লাখ লিটার (দৈনিক চাহিদা), ৫০ লাখ লিটার (সরবরাহ), ৭০ লাখ লিটার (পানি ঘাটতি), ১৫০ কিলোমিটার (পাইপলাইন দৈর্ঘ্য), ৫৫ শতাংশ (আয়রন জমে পানি বন্ধ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖