📌 মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার পরিবার কবর খুঁড়তে পুলিশ ছাড়া কেউ এগিয়ে আসেনি। পিরোজপুরে তার দাফন হয় জানাজা ছাড়াই নিরাপত্তার মধ্যে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী ছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা
মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার পরিবার কবর খুঁড়তে পুলিশ ছাড়া কেউ এগিয়ে আসেনি। গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) পিরোজপুরে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পর তার পরিবার কষ্টের মধ্য দিয়ে দাফন সম্পন্ন করেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষী ছিলেন মানিক পশারী। তার মৃত্যুর পর পরিবার কবর খুঁড়তে পুলিশের সহায়তা ছাড়া কেউ এগিয়ে আসেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার পরিবার কবর খুঁড়তে পুলিশ ছাড়া কেউ এগিয়ে আসেননি — "মোরা কবর খুঁড়ছি মোরাই মাডি দিছি, কোনো পুরুষ মানুষ আয় নাই" বলে বর্ণনা করেছেন তার বোন রিনা আক্তার।
- 📌 শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মৃত্যুবরণ করেন মানিক পশারী। দুপুর ১২টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে তার মরদেহ আনলে তোপের মুখে পড়েন স্বজনরা।
- 📌 পুলিশের সহায়তায় রাত ১টায় সদর থানায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ২টায় কবর খুঁড়ে দাফন করা হয় — মৃত্যুর ১৭ ঘণ্টা পর। জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়।
- 📌 পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, জামায়াতের নেতৃবৃন্দ কোনো বাধা সৃষ্টি করেননি। পুলিশের সহায়তায় দাফন সম্পন্ন হয়।
- 📌 মানিক পশারী ৮৭ বছর বয়সী ছিলেন। তিনি পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার পরিবার কবর খুঁড়তে পুলিশ ছাড়া কেউ এগিয়ে আসেনি। তার বোন রিনা আক্তার বলেছেন, "মোরা কবর খুঁড়ছি, সেই কবর লোকজনে আবার ভরাট করে ফেলছে। আবার মোরা কবর খুঁড়ছি এবং পুলিশ লাশ আনার পরে মোরাই মাডি দিছি। কোনো পুরুষ মানুষ আয় নাই।" তিনি বলেছেন, তার ভাই মানিক পশারীর মৃত্যুর পর পরিবার কবর খুঁড়তে পুলিশ ছাড়া কেউ এগিয়ে আসেননি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মানিক পশারীর মৃত্যু হয়। দুপুর ১২টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে তার মরদেহ আনলে তোপের মুখে পড়েন স্বজনরা। পরে পুলিশের সহায়তায় মরদেহ সদর থানা পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৫টায় গার্ড অব অনার শেষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মরদেহ ঘিরে রাখা হয়। রাত ১টায় সদর থানার পুলিশ মরদেহ তার বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে পরিবার মিলে কবর খুঁড়ে রাখলে মৃত্যুর ১৭ ঘণ্টা পর রাত ২টায় দাফনকাজ সম্পন্ন হয়। জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়।
পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ কোনো বাধা সৃষ্টি করেননি। তিনি বলেছেন, জামায়াতের নেতৃবৃন্দ মরদেহের রাজনীতি করে না। তাই পুলিশের সহায়তায় দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেছেন, পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
"মোরা কবর খুঁড়ছি মোরাই মাডি দিছি, কোনো পুরুষ মানুষ আয় নাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর সদর উপজেলা, শংকরপাশা ইউনিয়ন (চিতলিয়া গ্রাম), গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক পশারী, রিনা আক্তার (বোন), আব্দুর রাজ্জাক (জামায়াত সহকারী সেক্রেটারি), মো. শরিফুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭ বছর (বয়স), ২৪ অক্টোবর (মৃত্যু তারিখ), ১৭ ঘণ্টা (মৃত্যুর পর দাফন পর্যন্ত সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!