📌 খাগড়াছড়ির মানিকছড়ির ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন তার হৃদরোগে আক্রান্ত দুই বছরের ছেলের চিকিৎসায় সরকারি অনুদানের প্রতারণায় ৪৯ হাজার ৭৪২ টাকা হারিয়েছেন। প্রতারকরা তাকে বিশ্বাস করিয়ে ব্যাংক হিসাব ও ওটিপি দিয়ে সর্বস্বান্ত করেন
খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. ইমরান হোসেন তার দুই বছরের ছেলে আজমাইন রহমান আদিলের জন্মগত হৃদরোগের চিকিৎসায় সরকারি অনুদান পাওয়ার আশায় প্রতারণার শিকার হন। প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে তিনি ব্যাংক হিসাব ও ওটিপি দিয়ে সর্বস্বান্ত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাগড়াছড়ির মানিকছড়ির ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন তার দুই বছরের ছেলের হার্টের ছিদ্রের চিকিৎসায় সরকারি অনুদান পাওয়ার কথা বলে প্রতারিত হন
- 📌 প্রতারকরা তাকে বিশ্বাস করিয়ে ব্যাংক হিসাব ও ওটিপি দেওয়ার পর তার হিসাবে থেকে ৪৯ হাজার ৭৪২ টাকা কেটে নেওয়া হয়
- 📌 প্রতারকরা প্রধানমন্ত্রীর নামে অনুদানের কথা বলে ইমরানকে বিশ্বাস করান
- 📌 ঘটনার পর ইমরান হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন
- 📌 শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রতারকদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. ইমরান হোসেন তার দুই বছরের ছেলে আজমাইন রহমান আদিলের হার্টের ছিদ্রের চিকিৎসায় সরকারি অনুদান পাওয়ার কথা বলে প্রতারণার শিকার হন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) জুমার নামাজ শেষে বাড়িতে থাকা অবস্থায় ইমরানের মোবাইল ফোনে দুটি নম্বর থেকে ফোন আসে। প্রথমে ০১৩০৭৬৬৯৩১৫ এবং পরে ০১৩০৬০৬১০৭৪ নম্বর থেকে ফোন করে প্রতারকরা তাকে জানান, তার সন্তানের হার্টের ছিদ্রের চিকিৎসায় ইতিমধ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে আবেদন করা হয়েছে এবং তিনি ৫০ হাজার টাকা পেয়েছেন।
এরপর প্রতারকরা তাকে জানান, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে এ ধরনের চিকিৎসায় এক লাখ টাকা অনুদান নির্ধারণ করেছেন। তাই তার সন্তানের চিকিৎসায় আরও ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। তবে ব্যাংক বন্ধ থাকায় অনলাইন ব্যাংক হিসাবে নিতে হবে বলে জানানো হয়। ইমরান হোসেন বিশ্বাস করে একটি অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর দিলে প্রতারকরা তাকে বারবার ওটিপি চাইতে থাকে। প্রথমে ১০ হাজার টাকা করে দুবার ম্যাসেজ আসে এবং প্রতিবারই ৫ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হয়। পরে আবারও ১০ হাজার টাকা করে দুবার ম্যাসেজ আসে এবং একইভাবে টাকা কেটে নেওয়া হয়।
ইমরান হোসেন যখন হিসাব চেক করেন, তখন দেখা যায় তার হিসাবে কোনো টাকা জমা হয়নি বরং তার হিসাবে থেকে ৪৯ হাজার ৭৪২ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে জানা গেছে।
‘প্রতারণা চক্র আমার অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসার আদ্যোপান্ত যেভাবে বলছিল, তা সবই সত্য ও নির্ভুল হওয়ায় আমি বিশ্বাস করেছিলাম। তাদের কথামতো অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর ও ওটিপি দেওয়ায় আজ আমি সর্বস্বান্ত। আমার হিসাবে কোনো টাকা জমা না হয়ে উল্টো ৪৯ হাজার ৭৪২ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান হোসেন, তার দুই বছরের ছেলে আজমাইন রহমান আদিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯ হাজার ৭৪২ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!