📌 ফরিদপুরে জন্ম নেওয়া পারভেজ এম রবিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক হন। পরে কানাডার ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে জার্মানির সিমেন্স এজিতে দুই বছর কাজ করেন। অবশেষে কঠিন ইন্টারভিউ পর্ব পেরিয়ে আমাজনের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন তিনি
ফরিদপুরের পারভেজ এম রবিন এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আমাজনের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তাঁর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রাম ও নিরলস প্রচেষ্টা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরে জন্মগ্রহণকারী পারভেজ এম রবিন বর্তমানে আমাজনের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ও কানাডার ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন
- 📌 জার্মানির সিমেন্স এজিতে দুই বছর কর্মরত থাকার পর আমাজনের চাকরি লাভ
- 📌 স্কুলজীবনে সরকারি বৃত্তি প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও পুরস্কার অর্জন
📰 বিস্তারিত
পারভেজ এম রবিনের জন্ম ফরিদপুরে হলেও শৈশব কেটেছে নোয়াখালীতে। তাঁর বাবা ছিলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই নিয়মশৃঙ্খলার মধ্যে বেড়ে ওঠা রবিন স্কুলজীবনে ছিলেন সবার চেয়ে এগিয়ে। পঞ্চম শ্রেণিতে সরকারি বৃত্তি লাভ করেন তিনি। পরবর্তীতে ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল থেকে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেন।
উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভর্তি হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে। স্নাতক সম্পন্ন করে কানাডার ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করেন। সেখানে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল নিয়ে গবেষণা করেন, যার বিভিন্ন অংশ বিশ্বের শীর্ষ সম্মেলনে প্রকাশিত হয়।
শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি রবিন ছিলেন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। স্কুলজীবনে আবৃত্তি ও উপস্থিত বক্তৃতায় তিনি বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেন। কলেজজীবনে সহলেখক হিসেবে প্রায় আধা ডজন বই প্রকাশনায় যুক্ত ছিলেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি পাবলিক স্পিকিং ক্লাব ‘পোডিয়াম’-এর প্রচার সম্পাদক এবং কম্পিউটার ক্লাব ‘ক্লাস্টার’-এর আইটি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
স্নাতকোত্তর শেষে তিনি যোগ দেন জার্মানির প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিমেন্স এজিতে। সেখানে তিনি ইলেকট্রনিক সামগ্রীর ডিজাইন ও ভেরিফিকেশনের সফটওয়্যার তৈরির দায়িত্ব পালন করেন। দুই বছর চার মাস কাজ করার পর তিনি যোগ দেন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আমাজনে।
"আমাজনের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। চার ধাপের ইন্টারভিউ শেষে আমি অফার পাই। এটি ছিল আমার জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর, নোয়াখালী, খুলনা, কানাডা, জার্মানি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পারভেজ এম রবিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পঞ্চম শ্রেণিতে সরকারি বৃত্তি, দুই বছর চার মাস সিমেন্স এজিতে কর্মরত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!