📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কান্তজিউ মন্দির: টেরাকোটার জীবন্ত মহাকাব্য যা মধ্যযুগের বাংলাকে ফিরিয়ে আনে

কান্তজিউ মন্দির: টেরাকোটার জীবন্ত মহাকাব্য যা মধ্যযুগের বাংলাকে ফিরিয়ে আনে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির ১৮শ শতাব্দীর টেরাকোটা শিল্পের অদ্বিতীয় নিদর্শন। ৪৮ বছরের নির্মাণকালীন এই মন্দিরে ১৫ হাজার টেরাকোটা ফলক দিয়ে রামায়ণ, মহাভারত ও পৌরাণিক কাহিনি চিত্রায়িত। ভূমিকম্প ও সংস্কারের পরেও এটি বাংলাদেশের অন্যতম নান্দনিক স্থাপত্য হিসেবে টিকে আছে।

দিনাজপুরের কান্তনগর উপজেলায় ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত কান্তজিউ মন্দির বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থাপত্যের অন্যতম অদ্বিতীয় নিদর্শন। এই ১৮শ শতাব্দীর টেরাকোটা শিল্পের জীবন্ত মহাকাব্য ৪৮ বছর ধরে নির্মিত হয়েছিল এবং এর নির্মাণে অংশ নিয়েছিলেন মহারাজ প্রাণনাথ রায় ও তাঁর পোষ্য পুত্র রামনাথ রায়। মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৭০৪ সালে এবং ১৭৫২ সালে সম্পন্ন হয়। তবে ১৮৯৭ সালে ভূমিকম্পে এর চূড়াগুলো ভেঙে যায় এবং পরবর্তীতে মহারাজা গিরিজানাথ সংস্কার করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৭০৪-১৭৫২ সাল পর্যন্ত ৪৮ বছর ধরে নির্মিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন টেরাকোটা মন্দির
  • 📌 ৫০ ফুট উচ্চতার বর্গাকার মন্দিরে ২১টি নিচতলা, ২৭টি মধ্যবর্তী ও ৩টি উপরের দরজা-খিলান
  • 📌 ১৫ হাজার টেরাকোটা ফলক দিয়ে চিত্রায়িত রামায়ণ, মহাভারত ও পৌরাণিক কাহিনি
  • 📌 ১৮৯৭ সালে ভূমিকম্পে চূড়া ভেঙে যাওয়ার পর মহারাজা গিরিজানাথ সংস্কার করেন
  • 📌 কান্তনগর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার কান্তনগর উপজেলায় অবস্থিত কান্তজিউ মন্দিরের নির্মাণকাহিনি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। এই মন্দিরের নির্মাণ শুরু করেন মহারাজ প্রাণনাথ রায় ১৭০৪ সালে, কিন্তু সম্পূর্ণ নির্মাণের দায়িত্ব নেন তাঁর পোষ্য পুত্র রামনাথ রায়। ৪৮ বছর ধরে নির্মিত এই মন্দিরের উচ্চতা ছিল ৭০ ফুট, তবে ১৭৫২ সালে উৎসর্গ করার সময় এর উচ্চতা কমিয়ে ৫০ ফুট করা হয়। মন্দিরের নিচতলায় ২১টি, মধ্যবর্তী তলায় ২৭টি এবং উপরের তলায় ৩টি দরজা-খিলান রয়েছে।

মন্দিরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর টেরাকোটা শিল্প। পুরো মন্দিরে ১৫ হাজার টেরাকোটা ফলক দিয়ে রামায়ণ, মহাভারত, পৌরাণিক কাহিনি এবং মধ্যযুগীয় বাংলার সামাজিক জীবনের চিত্র আঁকা হয়েছে। এই ফলকগুলো একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং প্রতিটি ফলকই একটি পৃথক কাহিনির অংশ। চার দেয়ালে চিত্রায়িত সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি যুগের পৌরাণিক কাহিনিগুলো দেখলে মনে হয় যেন চার খণ্ডে শিল্পখচিত এক মহাকাব্য।

১৮৯৭ সালে ভূমিকম্পে মন্দিরের চূড়াগুলো ভেঙে যায়। পরবর্তীতে মহারাজা গিরিজানাথ সংস্কার করেন এবং মন্দিরটিকে আজকের মতো রূপ দেন। এই মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী ও শিল্পচাতুর্য বাংলাদেশে দ্বিতীয়টি নেই। উত্তরবঙ্গে যেকোনো ছুটির সময় এই ঐতিহাসিক মন্দির দেখতে আসা যেতে পারে। দিনাজপুরের কালীতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে লোকাল বাস, অটোরিকশা বা ইজিবাইক চড়ে সরাসরি মন্দিরে পৌঁছানো যায়।

"মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু করেন মহারাজ প্রাণনাথ রায়, ১৭০৪ সালে; যদিও নির্মাণকাজ শেষ করেন তাঁর পোষ্য পুত্র রামনাথ রায়। টানা ৪৮ বছর কাজ করে চলার পর ১৭৫২ সালে এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কান্তনগর উপজেলা, সুন্দরপুর ইউনিয়ন, দিনাজপুর, ঢেপা নদীর তীর
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মহারাজ প্রাণনাথ রায়, রামনাথ রায়, মহারাজা গিরিজানাথ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার টেরাকোটা ফলক, ৪৮ বছর নির্মাণকাল, ৫০ ফুট উচ্চতা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖