📌 ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের টায়ার ‘ই’ ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিককে ৪-১ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশ ১৮৯ দেশের প্রতিযোগিতায় ১৩০তম স্থান অধিকার করে। ফাইনালে পৌঁছানোর পথে সেশেলস, সিঙ্গাপুর, মন্টেনিগ্রো ও গ্যাবনকে পরাজিত করে বাংলাদেশ
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের টায়ার ‘ই’ ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশ ১৮৯ দেশের প্রতিযোগিতায় ১৩০তম স্থান অধিকার করেছে। আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল ফাইনালে পৌঁছানোর পথে সেশেলস, সিঙ্গাপুর, মন্টেনিগ্রো ও গ্যাবনকে পরাজিত করে। তবে ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের বিপক্ষে তাদের প্রতিরোধ ভেঙে দিতে খুব বেশি সময় লাগেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের টায়ার ‘ই’ ফাইনালে বাংলাদেশ ৪-১ গোলে হারায় সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিককে
- 📌 ১৮৯ দেশের প্রতিযোগিতায় ১৩০তম স্থান অধিকার করে বাংলাদেশ
- 📌 ফাইনালে ১৪ মিনিটে মোইয়ের গোলের পর চার মিনিটের ব্যবধানে পেনেল দ্বিগুণ করে ব্যবধান
- 📌 ২৩ মিনিটে তাকিবের গোলে বাংলাদেশের স্কোর ২-১ হয়ে যায়, কিন্তু মোইয়ের দ্বিতীয় গোলে ৩-১ হয়ে যায়
- 📌 প্রথমার্ধের শেষে মোইয়ের হ্যাটট্রিকের পর স্কোরলাইন ৪-১ হয়ে যায়
- 📌 নকআউট পর্বে সেশেলস (৪-২), সিঙ্গাপুর (৪-৩), মন্টেনিগ্রো (৪-০) ও গ্যাবন (১-০) পরাজিত করে বাংলাদেশ ফাইনালে পৌঁছায়
📰 বিস্তারিত
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের টায়ার ‘ই’ ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভেঙে দিতে খুব বেশি সময় লাগেনি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের। মাত্র ১৪ মিনিটে মোইয়ের গোলের পর চার মিনিটের ব্যবধানে পেনেলের গোলে বাংলাদেশের পিছিয়ে যাওয়া ২ গোলে পরিণত হয়। ২৩ মিনিটে তাকিবের গোলে বাংলাদেশের স্কোর ২-১ হয়ে যায়, কিন্তু মোইয়ের দ্বিতীয় গোলের পর ৩-১ হয়ে যায়। প্রথমার্ধের শেষ দিকে মোইয়ের হ্যাটট্রিকের পর স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-১। দ্বিতীয়ার্ধে কোনো গোল না হওয়ায় বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভেঙে যায় এবং তারা ৪-১ গোলে পরাজিত হয়।
ফাইনালে পৌঁছানোর পথে বাংলাদেশের পথ ছিল কঠিন। নকআউট পর্বে তারা সেশেলসকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে, সিঙ্গাপুরকে ৪-৩ গোলে, মন্টেনিগ্রোকে ৪-০ গোলে এবং গ্যাবনকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। এই জয়গুলি তাদের ফাইনালে পৌঁছানোর পথ সুগম করে দেয়। তবে ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের বিপক্ষে তাদের প্রতিরোধ ভেঙে দিতে খুব বেশি সময় লাগেনি।
১৮৯ দেশের প্রতিযোগিতায় ১৩০তম স্থান অধিকার করে বাংলাদেশ। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ৩২ দলের মধ্যে বাংলাদেশের পথচলা ছিল উল্লেখযোগ্য। তারা ছয় দলের কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে পঞ্চম হয়ে উঠেছিল এবং শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে টানা চার জয় তুলে ফাইনালে পৌঁছায়।
"ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভেঙে দিতে খুব বেশি সময় নেয়নি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। মাত্র ১৪ মিনিটে মোইয়ের গোলের পর চার মিনিটের ব্যবধানে পেনেল দ্বিগুণ করে ব্যবধান"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাকু, আজারবাইজান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোই, পেনেল, তাকিব (বাংলাদেশের ফুটবলার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩০ (১৮৯ দেশের প্রতিযোগিতায় স্থান), ৪-১ (ফাইনাল স্কোর), ১৪ মিনিট (প্রথম গোলের সময়), ২৩ মিনিট (তাকিবের গোলের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!