📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কালিহাতী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে ৪ বছর পিছিয়ে, জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদন হয়নি

কালিহাতী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে ৪ বছর পিছিয়ে, জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদন হয়নি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল কালিহাতী পৌরসভার ৪ কোটি টাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে ৪ বছর পিছিয়ে গেছে। প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদন শুরু হয়নি। ঠিকাদারদের দাবি, জমি অধিগ্রহণ ও আইনি জটিলতা প্রকল্পে বাধা সৃষ্টি করেছে

টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে সাড়ে চার বছর পিছিয়ে গেছে। ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কঠিন ও মানব বর্জ্য থেকে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৫.৫২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৪২ হাজার জনসংখ্যার কালিহাতী পৌরসভার দৈনিক ১.৫ টন বর্জ্য তৈরি হয়, কিন্তু কোনো ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় ময়লা যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে
  • 📌 ২০২২ সালের ১ মার্চ কার্যাদেশ পেয়েছিল ঢাকার ‘টার্ন-এনসি (জেভি)’ প্রতিষ্ঠান, কিন্তু আট মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও সাড়ে চার বছর পরও প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়নি
  • 📌 প্রকল্পের মূল চালিকাশক্তি ‘কমবাসশন মেশিন’ সরবরাহের জন্য ২০২৪ সালে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ‘লাবণী-কেএইচটি (জেভি)’ প্রতিষ্ঠানকে, কিন্তু এখনো মেশিন সরবরাহ হয়নি
  • 📌 ঠিকাদারদের দাবি, জমি অধিগ্রহণের আইনি জটিলতা, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব, নিচু এলাকার জলাবদ্ধতা এবং চীনের সাথে ব্যাংক এলসি খোলার সমস্যা প্রকল্পে বাধা সৃষ্টি করেছে
  • 📌 পৌরসভার প্রশাসক ফারজানা আক্তার বলেছেন, ঠিকাদার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে কাজ শেষ করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

কালিহাতী পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ৪২ হাজার এবং এটি ৯টি ওয়ার্ড ও ১৮টি মহল্লায় বিভক্ত। পৌরসভায় প্রতিদিন গড়ে ১.৫ টন কঠিন ও তরল বর্জ্য তৈরি হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় পৌরবাসীরা ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ফেলছেন, যা পরিবেশ দূষণ ও নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে।

৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার এই ‘সমন্বিত কঠিন ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট’ প্রকল্পে রয়েছে প্ল্যান্টেড ড্রায়িং বেড, অ্যানেরোবিক ব্যাফেল রিঅ্যাক্টর, কনস্ট্রাক্টেড ওয়েটল্যান্ড, পলিশিং পন্ড, কম্পোস্ট শেড, সর্টিং শেড, লিচেট ট্যাংক ও কমবাসশন ইউনিটসহ বিভিন্ন ইউনিট। প্রকৌশলীরা বলেছেন, পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে এটি অঞ্চলের জন্য একটি আশীর্বাদ হবে। প্রকল্পে বর্জ্য থেকে লোহালক্কড়, প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, কাঠ ও কাচ আলাদা করে পচনশীল বর্জ্য ও শুকনো মানববর্জ্যকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের পরিকল্পনা ছিল।

২০২২ সালের ১ মার্চ কার্যাদেশ পেয়েছিল ঢাকার ‘টার্ন-এনসি (জেভি)’ প্রতিষ্ঠান। তাদেরকে আট মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল, কিন্তু সাড়ে চার বছর পরও প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়নি। প্রকল্পের ঠিকাদার নূরে আলম টিটু জানান, জমি অধিগ্রহণের আইনি জটিলতা, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব, নিচু এলাকার জলাবদ্ধতা এবং দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতার কারণে নির্মাণকাজ পিছিয়ে গেছে।

কমবাসশন মেশিন সরবরাহের জন্য ২০২৪ সালে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ‘লাবণী-কেএইচটি (জেভি)’ প্রতিষ্ঠানকে। এক বছরের মধ্যে মেশিন সরবরাহের চুক্তি থাকলেও এখনো মেশিন সরবরাহ হয়নি। ঠিকাদার সাদেকুল ইসলাম কাঞ্চন বলেন, চীনের সাথে ব্যাংক এলসি খোলার জটিলতা ছিল। এই এলসি সমস্যার কারণে মেশিন সরবরাহে ব্যর্থতা ঘটেছে।

"কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নানাবিধ কারণে এটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।"

পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার বলেছেন, প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণের পরও মূল উদ্দেশ্য পূরণ না হওয়ায় প্রকল্পের কার্যক্রম বিলম্বিত হয়েছে। তারা ঠিকাদার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে কাজ শেষ করার জন্য তাগিদ দিয়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কালিহাতী পৌরসভা, টাঙ্গাইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারজানা আক্তার (প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা), নূরে আলম টিটু (ঠিকাদার), সাদেকুল ইসলাম কাঞ্চন (ঠিকাদার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫.৫২ বর্গকিলোমিটার (পৌরসভার আয়তন), ৪২ হাজার (জনসংখ্যা), ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা (প্রকল্পের ব্যয়), ২৬ জন (এইচআইভি রোগী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖