📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝালকাঠি এমপি জামাল: জমি রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখেন রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

ঝালকাঠি এমপি জামাল: জমি রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখেন রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝালকাঠি-১ আসনের এমপি মো: রফিকুল ইসলাম জামাল রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেন। জমি রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে অফিসে উপস্থিত হন। জমি গ্রহিতা জাকির হোসেনের দাবি অনুযায়ী, দলিল লেখক আলকাজ হোসেন ৩৬ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে

ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো: রফিকুল ইসলাম জামাল আকস্মিক পরিদর্শন করে রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখেছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তিনি সাংবাদিক, পুলিশ ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে অফিসে উপস্থিত হন। পরিদর্শনকালে জমি গ্রহিতা মো: জাকির হোসেনের সাথে কথা বলেন এমপি। জাকির হোসেনের দাবি অনুযায়ী, তিনি তিন লাখ টাকায় একটি জমি কিনেছেন এবং দলিল রেজিস্টেশন খরচ বাবদ দলিল লেখক মো: আলকাজ হোসেন তার কাছ থেকে ৩৬ হাজার টাকা নেয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝালকাঠি-১ আসনের এমপি মো: রফিকুল ইসলাম জামাল রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেন
  • 📌 জমি গ্রহিতা মো: জাকির হোসেনের অভিযোগ: দলিল লেখক আলকাজ হোসেন ৩৬ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ
  • 📌 দলিল লেখক আলকাজ হোসেনের দাবি: তিনি ৩০ হাজার টাকা নেয়েছেন, বাকি ৬ হাজার টাকা জাকির হোসেন দাখিলা সংগ্রহে খরচ করেছেন
  • 📌 সাব-রেজিস্ট্রার মো: মেহেদী হাসান বলেন: দলিল লেখক আলকাজ হোসেনকে শোকজ করে জবাব চাওয়া হয়েছে
  • 📌 এমপি জামাল বলেন: সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফি থেকে ৩৬ হাজার টাকা অতিরিক্ত নেয়া অযৌক্তিক
  • 📌 পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন: উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হক নান্টু, যুবদলের আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পারভেজ, সদস্যসচিব সৈয়দ নাজমুল হক ও বাবু রতন দেবনাথসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা

📰 বিস্তারিত

রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পরিদর্শনকালে এমপি জামাল জমি রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ পাচ্ছিলেন, বিশেষ করে ছোট জমিদাতা ও গ্রহীতাদের কাছ থেকে এ ধরনের অভিযোগ বেশি আসছিল। তিনি জানান, তিন লাখ টাকা মূল্যের জমি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৩৬ হাজার টাকা নেয়া সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফি থেকে অনেক বেশি। এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।

এমপি জামাল আরও বলেন, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দলিল গ্রহীতার কাছ থেকে দলিল লেখার পারিশ্রমিক হিসেবে কত টাকা নেয়া হয়েছে, তা জানতে হবে। প্রয়োজনে বিষয়টি তদারকিতে দলীয়ভাবে একটি টিম গঠন করা হবে।

পরিদর্শনের সময় উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হক নান্টু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো: মাসুম বিল্লাহ পারভেজ, সদস্যসচিব সৈয়দ নাজমুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বাবু রতন দেবনাথ, সদস্যসচিব মো: রিয়াজ হোসেন খানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

"দলিল খরচ বাবদ আমি ৩০ হাজার টাকা নিয়েছি। বাকি ৬ হাজার টাকা জাকির হোসেন বাইরে থেকে দাখিলা সংগ্রহ করতে খরচ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, ঝালকাঠি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমপি মো: রফিকুল ইসলাম জামাল, জমি গ্রহিতা মো: জাকির হোসেন, দলিল লেখক মো: আলকাজ হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ হাজার টাকা (অতিরিক্ত টাকা), ৩০ হাজার টাকা (দলিল লেখক নেয়া), ৬ হাজার টাকা (দাখিলা সংগ্রহে খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖