📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ সাংবাদিকদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলকে মৃত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি নিজেই বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, 'আমি মরি নাই'। ঘটনার দায় স্বীকার করে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতৃত্বাধীন আয়োজক কমিটি দুঃখ প্রকাশ করেছে
রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারিতে জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলকে মৃত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে একটি ডকুমেন্টারিতে
- 📌 অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ) এবং প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম
- 📌 সোহেল জানান, তার ছবি ব্যবহার করে নাম দেওয়া হয়েছে সাংবাদিক সোহেল আকাঞ্জির এবং উল্লেখ করা হয়েছে তিনি ২০২৪ সালের ৪ জুলাই হবিগঞ্জে শহীদ হয়েছেন
- 📌 তিনি বলেন, ‘আমি মিজানুর রহমান সোহেল। পেশায় লেখক ও সাংবাদিক। এবং হ্যাঁ, আমি এখনো জীবিত আছি।’
- 📌 ঘটনার দায় স্বীকার করে জাতীয় নাগরিক পার্টির মিডিয়া সেল দুঃখ প্রকাশ করেছে
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে সোমবার সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে অনুষ্ঠিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারিতে জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলকে মৃত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ)। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।
অনুষ্ঠানের একটি প্রেজেন্টেশনে সোহেলকে ২০২৪ সালের ৪ জুলাই হবিগঞ্জে শহীদ হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সেখানে ব্যবহৃত ছবিটি তার হলেও নাম দেওয়া হয়েছে সাংবাদিক সোহেল আকাঞ্জির। ঘটনার পর থেকে পরিচিত ও সহকর্মীরা তাকে বারবার ফোন করে জানতে চাচ্ছেন তিনি বেঁচে আছেন কি না। এ কারণে তিনি বারবার বলতে বাধ্য হন, ‘আমি মরি নাই।’
সোহেল বলেন, একজন জীবিত মানুষকে মৃত হিসেবে উপস্থাপন করা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, এর সামাজিক ও পেশাগত প্রভাব রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন সাংবাদিকের নাম ও ছবি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ব্যবহারের আগে তথ্য যাচাই করা হয়নি কেন। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব আরও বেশি গুরুত্ব পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি কাউকে অযথা অভিযুক্ত করতে চান না বললেও এই ভুলের দায় কার, কারা তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করেছেন এবং কার অনুমোদনের পর উপস্থাপনাটি অনুষ্ঠানে দেখানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি দায়িত্বশীল ব্যাখ্যা ও সংশোধন চান।
"আমি মিজানুর রহমান সোহেল। পেশায় লেখক ও সাংবাদিক। এবং হ্যাঁ, আমি এখনো জীবিত আছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান সোহেল
- 👥 অন্যান্য ব্যক্তি: মো. নাহিদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টা ৫৪ মিনিট, ১৭ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!