📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিচারক সংকটে বছরের পর বছর ধরে মামলাজটে ভুগছে দেশের মানুষ

বিচারক সংকটে বছরের পর বছর ধরে মামলাজটে ভুগছে দেশের মানুষ

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশের অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দেড় যুগে প্রায় ২৬ লাখ বেড়েছে। জনসংখ্যার তুলনায় বিচারকের সংখ্যা এক লাখের বেশি মানুষের জন্য মাত্র একজন। আইন কমিশনের সুপারিশ সত্ত্বেও বিচারক নিয়োগ না হওয়ায় মামলাজট দিন দিন বাড়ছে।

দেশের অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি দূর করতে হলে দ্রুত বিচারক নিয়োগ ও মামলাজট কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের জেলা আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ লাখ ৭৮ হাজার। অথচ ২০০৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অধস্তন আদালতে বিচারাধীন ছিল মাত্র ১৪ লাখ ৮৯ হাজার ১২১টি মামলা। দেড় যুগের ব্যবধানে মামলার সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২৬ লাখ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশের অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪০ লাখ ৭৮ হাজার
  • 📌 ২০০৮ সালের তুলনায় মামলা বেড়েছে প্রায় ২৬ লাখ
  • 📌 অধস্তন আদালতে কর্মরত বিচারকের সংখ্যা মাত্র এক হাজার ৮৩৭ জন
  • 📌 জনসংখ্যার তুলনায় বিচারকের সংখ্যা এক লাখের বেশি মানুষের জন্য একজন
  • 📌 আইন কমিশনের সুপারিশ ছিল বিচারক সংখ্যা পাঁচ হাজারে উন্নীত করা

📰 বিস্তারিত

আইন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের অধস্তন আদালতে বিচারকের সংখ্যা মাত্র দুই হাজার ২৩৭ জন। এর মধ্যে চার শতাধিক বিচারক সারা বছর বিভিন্ন কারণে বিচারকাজ থেকে দূরে থাকেন। ফলে বর্তমানে বিচারকাজে নিয়োজিত রয়েছেন এক হাজার ৮৩৭ জন বিচারক। জনসংখ্যার তুলনায় বিচারকের এই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। তুলনামূলক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ডেনমার্কে প্রতি ১৫ হাজার মানুষের জন্য একজন বিচারক রয়েছেন। একইভাবে জাপানে প্রতি ৫৭ হাজার, পাকিস্তানে প্রতি ৫০ হাজার এবং ভারতে প্রতি ৪৭ হাজার মানুষের জন্য একজন বিচারক নিয়োজিত রয়েছেন।

আইন কমিশনের ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার জটের পাঁচটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত বিচারকের অভাব, বিশেষায়িত আদালতে বিচারকের ঘাটতি, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা, জনবল সঙ্কট এবং দুর্বল অবকাঠামো। কমিশন আদালতে বিচারক সংখ্যা পাঁচ হাজারে উন্নীত করার সুপারিশ করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে মামলাজট দিন দিন বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিচারক সংকট দূর করতে দ্রুত বিচারক নিয়োগের পাশাপাশি মিথ্যা মামলা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার (এডিআর) মাধ্যমে মামলাজট কমানোর উদ্যোগ জোরদার করতে হবে। আইনজীবী ও বিচারকদের দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির প্রতি মনোযোগী হতে হবে। সরকারকে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে।

"দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি চোখে পড়ার মতো হলেও অপরাধ ও মামলার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারকে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের দিকে জোর দিতে হবে। অন্যথায় মামলা বাড়বে, বিচারক বাড়বে; কিন্তু সমাজ থেকে অপরাধ দূর হবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেশের অধস্তন আদালত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক, আইনজীবী, বিচারপ্রার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ ৭৮ হাজার মামলা, ১ হাজার ৮৩৭ জন বিচারক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖