📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যশোরের চার নদীতে নির্মাণাধীন আট সেতুর উচ্চতা নিয়মের চেয়ে কম, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

যশোরের চার নদীতে নির্মাণাধীন আট সেতুর উচ্চতা নিয়মের চেয়ে কম, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের চারটি নদীর ওপর নির্মাণাধীন আটটি সেতুর উচ্চতা নির্ধারিত মান থেকে অনেক কম। বিআইডব্লিউটিএর গেজেট অনুযায়ী সেতুর গার্ডারের নিচে কমপক্ষে ১৫ ফুট ফাঁকা থাকতে হয়, কিন্তু নির্মাণাধীন সেতুগুলোর ক্ষেত্রে তা মাত্র ৬ থেকে ৮ ফুট। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর নকশায় ত্রুটি ধরা পড়লেও এলজিইডি তা উপেক্ষা করে। আদালতের নির্দেশে দুই বছর ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে

যশোরের চারটি নদীর ওপর নির্মাণাধীন আটটি সেতুর উচ্চতা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) নির্ধারিত মান থেকে অনেক কম। বিআইডব্লিউটিএর গেজেট অনুযায়ী, নদীর পানির সর্বোচ্চ স্তর থেকে সেতুর গার্ডারের ব্যবধান কমপক্ষে ১৫ ফুট হওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু নির্মাণাধীন সেতুগুলোর ক্ষেত্রে এই ব্যবধান কোথাও মাত্র ৬ ফুট, কোথাও ৮ ফুট। ফলে সেতুগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যশোরের মনিরামপুর, শার্শা ও সদর উপজেলায় চারটি নদীর ওপর নির্মাণাধীন আটটি সেতুর উচ্চতা নিয়মের চেয়ে কম
  • 📌 বিআইডব্লিউটিএর গেজেট অনুযায়ী সেতুর গার্ডারের নিচে কমপক্ষে ১৫ ফুট ফাঁকা থাকতে হয়, কিন্তু নির্মাণাধীন সেতুগুলোর ক্ষেত্রে তা মাত্র ৬ থেকে ৮ ফুট
  • 📌 ২০১৮-১৯ সালে এলজিইডি নির্মাণকাজ শুরু করলেও বিআইডব্লিউটিএর ছাড়পত্র ছিল না
  • 📌 বিআইডব্লিউটিএর একাধিকবার চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও নির্মাণকাজ চলতে থাকে; পরবর্তীতে আদালতে বিষয়টি গড়ায়
  • 📌 ২০২৪ সালের জুনে হাইকোর্ট যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেতু নির্মাণের নির্দেশ দিলেও দুই বছরের বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে
  • 📌 নির্মাণকাজে আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় পাঁচটি সেতুর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে
  • 📌 সেতুগুলো ভেঙে ফেলা হলে সরকারের গচ্চা যাবে ৪১ কোটি ৭১ লাখ টাকা

📰 বিস্তারিত

যশোর সদর, মনিরামপুর ও শার্শা উপজেলায় চারটি নদীর ওপর নির্মাণাধীন আটটি সেতুর উচ্চতা বিআইডব্লিউটিএ নির্ধারিত মান থেকে অনেক কম। বিআইডব্লিউটিএর গেজেট অনুযায়ী, নদীর পানির সর্বোচ্চ স্তর থেকে সেতুর গার্ডারের ব্যবধান কমপক্ষে ১৫ ফুট হওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু নির্মাণাধীন সেতুগুলোর ক্ষেত্রে এই ব্যবধান কোথাও মাত্র ৬ ফুট, কোথাও ৮ ফুট। ২০১৮-১৯ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন সরকার এলজিইডির মাধ্যমে সেতু নির্মাণ শুরু করে। নির্মাণকাজ শুরুর পর দেখা যায়, সব কটি সেতুর নকশায় ত্রুটি রয়েছে। কোনো নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করতে হলে বিআইডব্লিউটিএ থেকে ছাড়পত্র নিতে হয়। কিন্তু এলজিইডি সেই ছাড়পত্র গ্রহণ করেনি।

তখন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিকে একাধিকবার চিঠি দেন। ওই চিঠি পেয়েও নির্মাণকাজ চালিয়ে যায় এলজিইডি। এরপর বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে যশোরের কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। তবু কোনো সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালতে যায়। ২০২৪ সালের জুন মাসে হাইকোর্ট যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেতুগুলো নির্মাণের নির্দেশ দেন। সেই থেকে দুই বছরের বেশি সময় ধরে সেতুগুলোর নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।

এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, অন্য দুটি সেতুর নির্মাণকাজের অগ্রগতি যথাক্রমে ৬০ ও ৩২ শতাংশ। সেতুগুলোর মধ্যে তিনটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৯৬ মিটার, ৫০ মিটার ও ৪৫ মিটার। বাকি পাঁচটি সেতুর মধ্যে তিনটির দৈর্ঘ্য ৭২ মিটার করে, আর দুটির দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার করে। নির্মাণকাজে আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় আটটি সেতুর মধ্যে পাঁচটির প্রকল্পের মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। ফলে সেতুগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

"সেতুগুলোর উচ্চতা নিয়মের চেয়ে কম হওয়ায় নৌপথ ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে। যদি বর্তমান নকশায় সেতু নির্মাণ করা হয়, তাহলে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। আবার সেতু ভেঙে ফেলা হলে সরকারের প্রায় ৪১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতি হবে।"

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্মাণাধীন সেতু এলাকাগুলোয় এখন আর নৌযান চলাচল করে না। তবে ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে প্রতিটি নদীতে ট্রলার চলাচল করত। যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা এলাকায় ভৈরব নদে নির্মাণাধীন একটি সেতুর অগ্রগতি ৬০ শতাংশ। সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ কোটি ৪২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। মুদিদোকানি তোফায়েল আহমেদ বলেন, খননের পর ২০২৩ সাল থেকে ভৈরব নদে আবার জোয়ার-ভাটা শুরু হয়েছে। একসময় এই নৌপথ দিয়ে খেজুরের গুড় ও পাটালি নৌকায় করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হতো।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোর সদর, মনিরামপুর, শার্শা উপজেলা, যশোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা, এলজিইডি কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ফুট (নির্ধারিত উচ্চতা), ৬ ফুট ও ৮ ফুট (নির্মাণাধীন সেতুর উচ্চতা), ৪১ কোটি ৭১ লাখ টাকা (নির্মাণ ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖