📌 যশোর শহরে পরিচ্ছন্নতা বাবদ প্রতি মাসে কোটি টাকা ব্যয় করছে পৌরসভা, তবুও শহরের বিভিন্ন স্থানে ময়লার স্তূপ জমে থাকায় দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, নির্ধারিত ডাম্পিং স্থানের অভাব এবং অব্যবস্থাপনার কারণে এই সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে
যশোর শহরের বেজপাড়া পিয়ারী মোহন সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনভর পড়ে থাকা গৃহস্থালি ও দোকানপাটের পরিত্যক্ত বর্জ্যের স্তূপ থেকে উৎপন্ন দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক সময় ময়লার স্তূপ সড়কের ওপর ছড়িয়ে পড়ায় ছোটখাটো সড়ক দুর্ঘটনারও ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোর শহরের বেজপাড়া পিয়ারী মোহন সড়কের ফুটপাতজুড়ে দিনভর পড়ে থাকে গৃহস্থালি ও দোকানপাটের পরিত্যক্ত বর্জ্য
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা যশোর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন পরিচ্ছন্নতার দাবিতে
- 📌 যশোর পৌরসভা প্রতি মাসে পরিচ্ছন্নতা বাবদ ব্যয় করছে প্রায় ৯০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা
- 📌 শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও আবাসিক এলাকায় ময়লার স্তূপ জমে থাকায় দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে
- 📌 যশোর শহরে প্রতিদিন প্রায় ৮০ টন বর্জ্য উৎপন্ন হলেও তা যথাযথভাবে অপসারণ করা হচ্ছে না
📰 বিস্তারিত
যশোর শহরের বেজপাড়া পিয়ারী মোহন সড়কের ফুটপাতের এক পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা। ফুটপাতে গরু বেঁধে পালন করা হয় বলে গৃহস্থালির বর্জ্যের সঙ্গে গবাদিপশুর বর্জ্যের তীব্র দুর্গন্ধের কারণে পথচারীরা নাক চেপে চলাচল করছেন। শহরের রেলগেট ডোমার হোটেলের পাশে শামছুর রহমানের বাড়ির সামনে ডাস্টবিনের বাইরে গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলা হয়েছে, যা ড্রেনের ওপর পচা ময়লায় ছাপিয়ে রাস্তার ওপর পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বাজার থেকে রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে করে ওই সড়কের পাশে পচা গৃহস্থালি বর্জ্য, মাছ ও মুরগির নাড়িভুঁড়ি, গোবর, পশুর বর্জ্য, মৃত প্রাণীসহ নানা ধরনের দুর্গন্ধযুক্ত আবর্জনা ফেলা হয়। ময়লা ফেলা নিষিদ্ধ উল্লেখ করে সাইনবোর্ড টাঙিয়েও কোনো সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
যশোর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন জানান, সর্বশেষ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে সকাল ৯টার মধ্যে শহরের দৈনন্দিন বর্জ্য অপসারণ কাজ শেষ করার। তবে মণিহারসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানজট থাকায় বর্জ্যবাহী গাড়িগুলো নির্ধারিত সময়ে ফিরে আসতে পারে না। ফলে ময়লা অপসারণের কাজ পিছিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, কোনো ওয়ার্ডের গাড়ি বিকল হলে পাশের ওয়ার্ডের গাড়ি দিয়ে সাময়িকভাবে বর্জ্য অপসারণ করা হয়, তবে তা স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে।
‘বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের একটি করে গাড়ি রয়েছে। কোনো ওয়ার্ডের গাড়ি বিকল হলে পাশের ওয়ার্ডের গাড়ি দিয়ে সেখানে সাময়িকভাবে বর্জ্য অপসারণের কাজ চালানো হয়। ওই গাড়িকে আগে নিজের ওয়ার্ডের কাজ শেষ করে অন্য ওয়ার্ডে যেতে হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বর্জ্য অপসারণে সময় বেড়ে যায়।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর শহর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জায়েদ হোসেন (যশোর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা), নাজমুল ইসলাম (স্থানীয় বাসিন্দা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০৩ (পরিচ্ছন্নতাকর্মী), ১২ (বর্জ্যবাহী ট্রাক), ৮০ (টন দৈনিক বর্জ্য), ৯০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা (মাসিক ব্যয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!