📌 গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা ও নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে জাসাস নেতা জমির উদ্দীন সরকার জনির বিরুদ্ধে। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনার পর স্ত্রী শ্রাবণী আক্তার গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা ও নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর নেতা জমির উদ্দীন সরকার জনির বিরুদ্ধে। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনার পর স্ত্রী শ্রাবণী আক্তার গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী শ্রাবণী আক্তারকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা ও নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ জাসাস নেতা জমির উদ্দীন সরকার জনির বিরুদ্ধে
- 📌 ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে জাসাসের পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে বহিষ্কার
- 📌 স্ত্রীর পরিবারের অভিযোগ: প্রায় চার বছর ধরে যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলছিল
- 📌 ৯ আগস্ট রাতে স্ত্রীকে মারধরের একপর্যায়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা ও ধারালো বঁটি দিয়ে শরীরে কোপানো হয়
- 📌 গুরুতর আহত শ্রাবণীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার আমবাড়ী গ্রামের আমছার আলীর ছেলে জমির উদ্দীন সরকার জনি প্রায় চার বছর আগে শ্রাবণী আক্তারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি যৌতুকের দাবিতে শ্রাবণীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন জনি। সর্বশেষ ৯ আগস্ট গভীর রাতে যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্ত্রীকে মারধর করেন তিনি। মারধরের একপর্যায়ে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এতে ব্যর্থ হয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে মাথা, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন জনি।
গুরুতর আহত শ্রাবণীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে কয়েক দিন চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হলে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শ্রাবণীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় শতাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। ঘটনার দিন গভীর রাতে শ্রাবণীকে মুমূর্ষু অবস্থায় রমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন অভিযুক্ত জনি। সেখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
শ্রাবণীর বাবা ছামছুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে একাধিকবার নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নির্যাতন থামেনি। আমরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেদিন রাতে তাঁর মেয়েকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যায় ব্যর্থ হয়ে এ রকম অমানুষের মতো নির্যাতন করা হয়েছে।’
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান বলেন, ‘যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পলাশবাড়ী থানায় জনিকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা করেছেন শ্রাবণীর বাবা ছামছুল ইসলাম। আমরা আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জমির উদ্দীন সরকার জনি (জাসাস নেতা), শ্রাবণী আক্তার (ভুক্তভোগী), ছামছুল ইসলাম (ভুক্তভোগীর বাবা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ আগস্ট (ঘটনার তারিখ), শতাধিক (শরীরে সেলাই)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!