📌 আয়ারল্যান্ডের ১৮ বছর বয়সী আয়রা সতীশ ‘দ্য আর্থ প্রাইজ ২০২৬’-এ বিজয়ী হয়ে উদ্ভাবন করেছেন এমন এক পচনশীল প্লাস্টিক, যা ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক ধ্বংসে সহায়ক। তাঁর উদ্ভাবন ইউরোপের পরিবেশ সংকট মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে
আয়ারল্যান্ডের কিশোরী গবেষক আয়রা সতীশ মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশ্বের পরিবেশ সংকট সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। চলতি বছরের মে মাসে আয়োজিত ‘দ্য আর্থ প্রাইজ ২০২৬’-এর ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের বিভাগে তিনি ইউরোপের সেরা হিসেবে বিজয়ী হন। তাঁর উদ্ভাবিত ‘ইকো পার্জ’ নামের পচনশীল প্লাস্টিক মাটি বা পানিতে মিশে যাওয়ার সময় এমন এনজাইম নির্গত করে, যা চারপাশের ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক ধ্বংস করতে সক্ষম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আয়রা সতীশের উদ্ভাবিত ‘ইকো পার্জ’ নামের পচনশীল প্লাস্টিক ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক ধ্বংসে সহায়ক
- 📌 ‘দ্য আর্থ প্রাইজ ২০২৬’-এর ইউরোপ বিভাগে তিনি বিজয়ী হন এবং ১২ হাজার ৫০০ ডলার পুরস্কার লাভ করেন
- 📌 তাঁর গবেষণায় ব্যবহৃত বিশেষ ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি এনজাইম পিইটি ধরনের প্লাস্টিক ধ্বংসে সক্ষম
- 📌 আয়রা আগামী পাঁচ বছরে তাঁর উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন
📰 বিস্তারিত
আয়রা সতীশের উদ্ভাবন বিশ্বের প্লাস্টিক সংকট সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাঁর ‘ইকো পার্জ’ নামের পচনশীল প্লাস্টিক মাটি বা পানিতে মিশে যাওয়ার সময় এমন এক ধরনের এনজাইম নির্গত করে, যা চারপাশের ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিককে ধ্বংস করে ফেলে। এই উদ্ভাবনের জন্য তিনি চলতি বছরের মে মাসে আয়োজিত ‘দ্য আর্থ প্রাইজ ২০২৬’-এর ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের বিভাগে ইউরোপের সেরা হিসেবে নির্বাচিত হন। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার ৫০০ ডলার।
আয়রা তাঁর গবেষণায় আয়ারল্যান্ডের আইরিশ বিশ্ববিদ্যালয় ইউসিডি ডাবলিন, এটিইউ লেটারকেনি এবং বায়োঅর্বিক রিসার্চ সেন্টারের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর উদ্ভাবিত প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত বিশেষ ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি এনজাইম মূলত পিইটি ধরনের প্লাস্টিক ধ্বংসে সক্ষম। তবে এই প্রযুক্তি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। আয়রা জানান, তাঁর লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে এই প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা।
তিনি বলেন, বিশ্বে প্রতি বছর ২৪ কোটি টন প্লাস্টিক উৎপাদিত হয়, যার মাত্র ৯ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব। তাই প্লাস্টিক সংকট মোকাবিলায় পচনশীল প্লাস্টিকের ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। তাঁর উদ্ভাবন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবে বলে তিনি আশাবাদী।
"প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার একমাত্র সমাধান নয়। আমাদের এমন প্রযুক্তি প্রয়োজন, যা পরিবেশকে আরও দূষিত না করে প্লাস্টিককে ধ্বংস করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আয়ারল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়রা সতীশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর, ১২ হাজার ৫০০ ডলার, ২৪ কোটি টন, ৯ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!