📌 বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজের আর্থিক সংকট তুলে ধরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আবেদন জানান। ঘনঘন শুনানির তারিখ দিলে আইনজীবীর ফি দিতে না পারার কথা জানান তিনি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে নিজের আর্থিক দুর্দশার কথা তুলে ধরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আবেদন জানান বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি আসামি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের আর্থিক সংকট তুলে ধরেন
- 📌 ঘনঘন শুনানির তারিখ দিলে আইনজীবীর নির্ধারিত ফি দিতে পারছেন না বলে জানান তিনি
- 📌 রামপুরায় ২৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি আসামি
- 📌 ট্রাইব্যুনালে ১২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শিক্ষার্থী রাতুল হাসান
- 📌 আগামী ২ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত
- 📌 মামলায় গ্রেফতার অবস্থায় রয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম
- 📌 পলাতক রয়েছেন ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে নিজের আর্থিক দুর্দশার কথা তুলে ধরেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম। তিনি জানান, ঘনঘন তারিখ দিলে আইনজীবীর ফি দিতে পারছেন না। তার ভাষ্যে, ‘এই টাকা দিয়ে সংসার চালাবো নাকি আইনজীবীর খরচ দেবো, বুঝতে পারি না।’
রেদোয়ানুল ইসলাম আরও বলেন, বর্তমানে তার প্রাপ্ত বেতন খুবই সামান্য। এই সামান্য অর্থ দিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। তিনি ট্রাইব্যুনালকে অনুরোধ করেন যেন তারিখ দিতে দেরি করা হয়। একইসঙ্গে তিনি জানান, তার কাছে আর্থিকভাবে তেমন কোনো সঞ্চয়ও নেই।
এ সময় রেদোয়ানুলের আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম ট্রাইব্যুনালকে জানান যে তার কাছ থেকে যুক্তিসঙ্গত ফি নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ট্রাইব্যুনালকে জানান, আসামির মূল চাওয়া যেন ঘনঘন তারিখ পেছানো না হয়। বরং মামলার বিচার দ্রুত শেষ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, অল্প দিনের ব্যবধানে শুনানি হলে বিচারকাজ দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।
"ঘনঘন তারিখ দিলে আমার খুব কষ্ট হয়। আইনজীবীর টাকাও দিতে পারি না। একটু লম্বা বিরতি নিয়ে তারিখ দিলে ভালো হয়।"
বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী রেদোয়ানুলের আবেদনে সাড়া দিয়ে জানান যে তার বক্তব্য তার হৃদয় স্পর্শ করেছে। এরপর তিনি আসামিপক্ষের আইনজীবীদের জেরা অব্যাহত রাখার জন্য আগামী ২ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ জন নিহত, ১২ নম্বর সাক্ষী, ২ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!