📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কাবিননামা সংশোধনের দাবিতে আইনি নোটিশ: পূর্ববর্তী বিবাহ ও সন্তানের তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক

কাবিননামা সংশোধনের দাবিতে আইনি নোটিশ: পূর্ববর্তী বিবাহ ও সন্তানের তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিবাহ নিবন্ধনে পূর্ববর্তী বিবাহ ও সন্তানের তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। মুসলিম বিবাহ ও তালাক বিধিমালা সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে

বিবাহ নিবন্ধনের কাবিননামায় বর ও কনের পূর্ববর্তী বিবাহ, সন্তান এবং বৈবাহিক দায় সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান এই নোটিশ প্রদান করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯-এর অধীন ব্যবহৃত বাংলাদেশ ফরম নম্বর ১৬০১ বা ‘ঘ’ ফরমের কাবিননামাটি অসম্পূর্ণ বলে অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 পূর্ববর্তী বিবাহ, সাবেক স্বামী/স্ত্রীর পরিচয়, তালাক নিবন্ধন, বৈবাহিক মামলা ও সন্তানের তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখের ব্যবস্থা নেই বলে জানানো হয়েছে।
  • 📌 কাবিননামায় বর ও কনের সমানভাবে পূর্ববর্তী ও বিদ্যমান বিবাহের তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে।
  • 📌 বিদ্যমান বিবাহ থাকা অবস্থায় নতুন বিবাহের ক্ষেত্রে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৬ ধারার সালিশ পরিষদের অনুমতির তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।
  • 📌 জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বিবাহ নিবন্ধনের কাবিননামায় পূর্ববর্তী বিবাহ, সন্তান এবং বৈবাহিক দায় সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। এই নোটিশ আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে দেওয়া হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯-এর অধীন ব্যবহৃত বাংলাদেশ ফরম নম্বর ১৬০১ বা ‘ঘ’ ফরমের বর্তমান কাবিননামাটি অসম্পূর্ণ ও অসমতাপূর্ণ। এতে বর ও কনের পূর্ববর্তী সব বিবাহ, সাবেক স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয়, বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য, বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার তারিখ, চলমান বৈবাহিক মামলা এবং বিদ্যমান সন্তানের তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখ ও যাচাই করার ব্যবস্থা নেই। ফলে, কোনো ব্যক্তি পূর্বের একাধিক বিবাহ, বিদ্যমান বৈবাহিক সম্পর্ক, বিতর্কিত বা অনিবন্ধিত তালাক, সন্তান কিংবা আগের পরিবারের প্রতি চলমান ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্বসংক্রান্ত দায় গোপন করে নতুন বিবাহে আবদ্ধ হতে পারেন।

আইনজীবী ইশরাত হাসান তার নোটিশে কাবিননামা সংশোধন করে বর ও কনে উভয়ের জন্য সমানভাবে প্রত্যেক পূর্ববর্তী ও বিদ্যমান বিবাহের তথ্য, সংশ্লিষ্ট স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয়, বিবাহ ও তালাকের তারিখ-স্থান-নিবন্ধন নম্বর, বিবাহবিচ্ছেদের পদ্ধতি ও কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং প্রয়োজনীয় দলিল বা মামলার তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান। একই সঙ্গে বিদ্যমান সন্তান ও তাদের বিষয়ে চলমান ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব বা অন্যান্য আইনগত দায় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ঘোষণা রাখার দাবি করা হয়।

বিদ্যমান বিবাহ থাকা অবস্থায় নতুন বিবাহের ক্ষেত্রে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৬ ধারা অনুযায়ী সালিশ পরিষদের লিখিত অনুমতির নম্বর ও তারিখ কাবিননামায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানানো হয়েছে। এ ছাড়া, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন, বিবাহ ও তালাকের নথি, মৃত্যুসনদসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।

"অসম্পূর্ণ ও অসমতাপূর্ণ কাবিননামার ব্যবহার পারিবারিক জীবনে ক্ষতি সৃষ্টি করছে। এটি আইনের আশ্রয়, মর্যাদা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অধিকারের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাত হাসান (আইনজীবী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ধারা ৬ (মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖