📌 সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের জন্য আইনি, মনঃসামাজিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তাসেবা থাকলেও তা সমানভাবে পাওয়া যায় না। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা একটি কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন
সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের জন্য আইনি সহায়তা, জরুরি সাড়া এবং ডিজিটাল নিরাপত্তাসেবা দেশে বিদ্যমান থাকলেও তা সমানভাবে পাওয়া যায় না। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত সেবার ঘাটতি প্রকট। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা একটি সমন্বিত ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের জন্য আইনি, মনঃসামাজিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তাসেবা বিদ্যমান থাকলেও তা সমানভাবে পাওয়া যায় না
- 📌 জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত সেবার ঘাটতি প্রকট
- 📌 ‘বাংলাদেশে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের জন্য রেফারেল ব্যবস্থা’ শীর্ষক সেমিনারে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়
- 📌 গবেষণা পরিচালিত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ‘ফ্রিডম’ প্রকল্পের অধীনে
- 📌 প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন
📰 বিস্তারিত
‘বাংলাদেশে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের জন্য সহায়তা সেবার ম্যাপিং এবং একটি রেফারেল ব্যবস্থা প্রস্তাব’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয় সোমবারের সেমিনারে। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে বিদ্যমান সেবাগুলো প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদাভাবে কাজ করে এবং বিশেষায়িত সেবায় প্রবেশাধিকার সারা দেশে সমান নয়। ফলে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা হুমকির মুখে পড়লে প্রয়োজনীয় সহায়তা সময়মতো পান না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিবর্তনের সঙ্গে তরুণদের দায়িত্বশীলভাবে মানিয়ে নিতে হবে। তিনি তরুণদের ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন বাইবা জারিনা বলেন, হুমকির মুখে পড়লে কোনো সাংবাদিক বা মানবাধিকারকর্মী যেন সহায়তা পাওয়ার জায়গা নিয়ে দ্বিধায় না থাকেন। তাঁরা যেন স্পষ্টভাবে জানতে পারেন কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে এবং কী ধরনের সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
"প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আমাদের পৃথিবীকে বদলে দিচ্ছে, তাতে তরুণদের এসব পরিবর্তনের সঙ্গে দায়িত্বশীলভাবে মানিয়ে নেওয়া এবং প্রযুক্তিকে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ব্যবহার করতে সক্ষম করে তুলতে হবে।" — জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা
এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, অপতথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার ও ডিজিটাল হয়রানি বাড়ছে। তিনি নাগরিকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি তরুণদের পরিবর্তনের অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে বলে উল্লেখ করেন।
প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মতপ্রকাশের সুযোগ বাড়ালেও অপতথ্য, ঘৃণা ও অনলাইন হয়রানির ঝুঁকিও বাড়িয়েছে। তিনি গণমাধ্যম সাক্ষরতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, শুধু নীতিমালা থাকলেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না। অভিযোগের ক্ষেত্রে সময়োপযোগী আইনি ব্যবস্থা ও দ্রুত সাড়াও নিশ্চিত করতে হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহির উদ্দিন স্বপন, বাইবা জারিনা, শাহীন আনাম, ফারুক ওয়াসিফ, কবিতা বোস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!