📌 বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যর্থতায় দিনে-রাতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বিপরীতে সেপ্টেম্বরে এলএনজি কার্গো সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে গ্যাস সংকট কিছুটা হলেও কমতে পারে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা
বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যর্থতায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫৩৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছেছে। রোববার রাত ১টায় লোডশেডিং ছিল তিন হাজার ৫৩৫ মেগাওয়াট, আর সোমবার বেলা ১টায় তা ছিল দুই হাজার ৯০৪ মেগাওয়াট। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছয় ঘণ্টা তিন হাজার মেগাওয়াটের ঘাটতি ছিল, আর আড়াই হাজার মেগাওয়াটের ঘাটতি ছিল ছয় ঘণ্টা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সরবরাহ ১২ থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উঠাতে পারেনি
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫৩৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছেছে
- 📌 দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে দৈনিক দুই হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে এলএনজি কার্গো সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে গ্যাস সংকট কমতে পারে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ বিভাগের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সরবরাহ ১২ থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উঠাতে পারেনি। বিপরীতে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দিনে-রাতে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫৩৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছেছে। রোববার রাত ১টায় লোডশেডিং ছিল তিন হাজার ৫৩৫ মেগাওয়াট, আর সোমবার বেলা ১টায় তা ছিল দুই হাজার ৯০৪ মেগাওয়াট। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছয় ঘণ্টা তিন হাজার মেগাওয়াটের ঘাটতি ছিল, আর আড়াই হাজার মেগাওয়াটের ঘাটতি ছিল ছয় ঘণ্টা।
বিদ্যুৎ সরবরাহের এই সংকট দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করছে। বড় বড় শিল্পকারখানা, পোলট্রি খামার, গরুর খামার, সেচ ও কৃষিকাজ বিপাকে পড়েছে। কিছু এলাকায় উত্তেজিত জনতা বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওয়ের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। ঢাকা শহরাঞ্চলের দুই বিতরণ সংস্থা ডেসকো ও ডিপিডিসি গ্রামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিটি ফিডার লাইনে দিনে অন্তত তিনবার করে লোডশেডিং দিচ্ছে।
ঢাকার উত্তরাংশের বিতরণের দায়িত্বে থাকা ডেসকো সোমবারের লোডশেডিংয়ের সূচি প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, ৬১৮টি ১১ কেভির ফিডার লাইনের প্রতিটিতে সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সময়ে পালা করে অন্তত তিন ঘণ্টা হারে লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। গরমের সময় ডেসকোর সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল এক হাজার ৪২১ মেগাওয়াট, তবে সরবরাহ ছিল এক হাজার মেগাওয়াটের নিচে।
"সেপ্টেম্বর মাসের জন্য বেশ চড়া দামে আট কার্গো এলএনজি কেনা ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে। ক্রয় কমিটির পরবর্তী বৈঠকে আরও দুই কার্গো এলএনজি কেনা নিশ্চিত করা হবে। সেপ্টেম্বর মাসে ১০ কার্গো এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সেই মাসে গ্যাস-সংকট আরও কমে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা শহরাঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদ্যুৎ বিভাগ ও পেট্রোবাংলার কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতি ১২-১৩ হাজার মেগাওয়াট, লোডশেডিং সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫৩৫ মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!