📌 ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ইউনিট সুমাইয়া সাঈদ নামের এক ইনস্টাগ্রাম প্রভাবশালীকে পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে। তার বাবা ও প্রেমিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অশ্লীল কনটেন্ট বিক্রি করা হতো
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের দক্ষিণ ইউনিট সুমাইয়া সাঈদ নামের এক ইনস্টাগ্রাম প্রভাবশালীকে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে। তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুক এবং মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও সম্মতি দেওয়ার অভিযোগে তার বাবা মো. আবু সাঈদকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইনস্টাগ্রাম প্রভাবশালী সুমাইয়া সাঈদকে পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ
- 📌 তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুক এবং বাবা মো. আবু সাঈদকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো
- 📌 সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার হন
📰 বিস্তারিত
গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল।
পরে প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গত ১১ আগস্ট রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। অভিযানে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরবর্তীতে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, তার বাবা মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও কোনো বাধা দেননি; বরং ওই কার্যক্রম থেকে পাওয়া অর্থ নিয়মিত গ্রহণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
"সুমাইয়া সাঈদ ও তার সহযোগীরা কয়েকজন মিলে এই চক্র পরিচালনা করতেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া সাঈদ, খাজা সাকলাইন ফারুক, মো. আবু সাঈদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার ৫০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!