📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইমাম এহসান আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। ৭ বার হামলা, ধানের স্তুপে আগুন ও পরিবারকে ঘরছাড়া করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ইমামতি করা অবস্থায় অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে বহিষ্কৃত ইমাম এহসান আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। রোববার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অনলাইন জুয়া প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ ইমাম এহসান আলীর বিরুদ্ধে
- 📌 ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ: ৭ বার হামলা, ধানের স্তুপে আগুন ও ঘরছাড়া করা হয়েছে
- 📌 গত ২৮ জুন হামলায় ভুক্তভোগীর বাবা রফিকুল ইসলামকে মারধরের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
- 📌 ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার খেসবা লাইনপাড়া গ্রামের রেলপাড়া জামে মসজিদের বহিষ্কৃত ইমাম এহসান আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জুয়া খেলার প্রতিবাদ করায় মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে রোববার জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. মইন ইউ আহম্মেদ দেলোয়ার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
মইন ইউ আহম্মেদ দেলোয়ার জানান, এহসান আলী ইমামতি করার পাশাপাশি অনলাইন জুয়ার কারবার করতেন। তিনি এলাকার তরুণদের অনলাইন জুয়া খেলতে উৎসাহিত করতেন। এমনকি জুয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ইমামতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, ‘এহসান আলীর নেতৃত্বে তার শ্বশুর দুরুল হোদা ও মামা আব্দুল আজিজের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আমাদের পরিবারের উপর দফায় দফায় হামলা, মারধর ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।’
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ২৮ জুন হামলায় তার বাবা রফিকুল ইসলামকে মারধরের পর তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘গত ২ মাস ধরে হামলার শিকার হওয়ার পর থেকে আমরা বাড়িতে যেতে পারছি না। এমনকি নানারকম হুমকি-ধামকি ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরছাড়া করেছে আমাদের পুরো পরিবারকে।’
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, তাদের পুরো পরিবারকে কয়েক দফায় লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। এমনকি বাড়ির সামনে থাকা ধানের খড়ের স্তুপেও আগুন দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ জুন হামলার পর জরুরি সহায়তা নাম্বার ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও নাচোল ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম ও নাচোল থানার ওসি সুকোমল দেবনাথের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। তারা দাবি করেন, পুরো পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
‘এহসান আলীর নেতৃত্বে তার শ্বশুর দুরুল হোদা ও মামা আব্দুল আজিজের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত আমাদের পরিবারের উপর দফায় দফায় ৭ বার হামলা, মারধর ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি গত ২৮ জুন আমার বাবাকে মারধর করার পর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে এখনও।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাচোল উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এহসান আলী (অভিযুক্ত ইমাম), মো. মইন ইউ আহম্মেদ দেলোয়ার (ভুক্তভোগী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বার হামলা, ২৮ জুন হামলা, ২ মাস ধরে নির্যাতন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!