📌 ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও সামাজিক সংহতি বৃদ্ধিতে সরকার, গণমাধ্যম ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। রাজধানীতে আয়োজিত এক নীতি সংলাপে তিনি অপতথ্য ও এআই-নির্ভর বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান
ঢাকায় আয়োজিত এক নীতি সংলাপে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশে একটি বিশ্বস্ত ও জবাবদিহিতামূলক ডিজিটাল তথ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সুশীল সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইনফরমেশন ইন্টেগ্রিটি অ্যান্ড সোশ্যাল কোহেশন ইন বাংলাদেশ: পলিসি, প্ল্যাটফর্ম অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড কালেক্টিভ অ্যাকশন’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশে বিশ্বস্ত ডিজিটাল তথ্য পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার ডাক দেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী
- 📌 ইউএনডিপি বাংলাদেশ ও জার্মান সরকারের সহায়তায় আয়োজিত হয় এই সংলাপ
- 📌 বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক অনলাইন কনটেন্টের অর্ধেকের বেশি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ধারণ করেছে
- 📌 প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কনটেন্টে এআই-নির্ভর কারসাজির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে
📰 বিস্তারিত
তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশের দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের সুফল তুলে ধরে বলেন, এটি সাধারণ মানুষের তথ্যপ্রাপ্তি, শিক্ষা ও সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন যে অপতথ্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-নির্ভর অপপ্রচারের মতো উদীয়মান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত পদক্ষেপ অপরিহার্য। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার একটি নিরাপদ ও বিশ্বস্ত ডিজিটাল তথ্য পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ করে শিশু ও তরুণদের ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে রক্ষায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও তথ্য যাচাইয়ের ওপর জোর দেন তিনি।
সংবাদ সংস্থা দ্য ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম বলেন, প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রসারের এই যুগে বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি ভুয়া তথ্যের বিস্তার রোধে নৈতিক সাংবাদিকতা বজায় রাখা এবং ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত ইউএনডিপি বাংলাদেশের বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে উঠে আসে যে সাম্প্রতিক সময়ে পর্যালোচনা করা অনলাইন কনটেন্টের অর্ধেকেরও বেশি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ধারণ করেছে। এছাড়া প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কনটেন্টে এআই-নির্ভর কারসাজির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, যা ডিজিটাল জগতের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলেছে।
"একক কোনো সংস্থার পক্ষে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন প্ল্যাটফর্মগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক ও সুশীল সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অর্ধেক (৫০%), এক-পঞ্চমাংশ (২০%)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!