📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব করে সরকারের উল্টো পদক্ষেপ: গোলটেবিল বৈঠকে অভিযোগ

মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব করে সরকারের উল্টো পদক্ষেপ: গোলটেবিল বৈঠকে অভিযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়ায় স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা সীমিত করার অভিযোগ তুলেছেন বক্তারা। ঢাকায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে নতুন আইনের খসড়ায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তে বাধা সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়

মানবাধিকার সুরক্ষা ও গুম প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে সরকারের বিরুদ্ধে উল্টো পদক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। খসড়া আইনে মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা হ্রাস এবং গুমের অভিযোগের তদন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ন্যস্ত করার প্রস্তাবকে দায়মুক্তির সংস্কৃতি পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা খর্ব করার অভিযোগ তুলেছেন বক্তারা
  • 📌 গুমের অভিযোগের তদন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দেওয়ার প্রস্তাবকে দায়মুক্তির সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা বলা হয়েছে
  • 📌 খসড়া আইনে মিথ্যা অভিযোগের জন্য পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান যুক্ত করা হয়েছে
  • 📌 মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নিয়োগে সরকারের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা পূরণে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ খসড়া আইন, ২০২৬: আইনি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। আয়োজক ছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, সরকার মানবাধিকার রক্ষায় নতুন আইন করার কথা বলে পুরাতন অধ্যাদেশ বাতিল করলেও নতুন খসড়ায় কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত এমন বাহিনীর হাতে দেওয়া হচ্ছে যাদের বিরুদ্ধেই গুমের অভিযোগ রয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সরকারকে তা কাজে লাগাতে হবে। তিনি মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা এবং কমিশনার নিয়োগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ বন্ধ করে নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি দলীয় সংস্কৃতির পরিবর্তনের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপপ্রধান সারোয়ার তুষার বলেন, গুম হয়েছে কিনা তা নির্ধারণের দায়িত্ব পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে দেওয়া উচিত নয়। কারণ তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ থাকতে পারে। তিনি মিথ্যা অভিযোগের জন্য পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধানকে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ওপর চাপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নিয়োগে সরকারের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে ধরেন গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান। আইন পাসের আগে নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুমসংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সাবেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস। তিনি নতুন আইনি কাঠামোয় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীন তদন্তের সুযোগ কমিয়ে দেওয়ার প্রবণতাকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেন।

"মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। নতুন সরকারকে অবশ্যই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহিদুল আলম, আখতার হোসেন, আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖