📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত বিতর্কিত বিলের বিরোধিতা করে সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জন করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতারা অভিযোগ করেছেন, তড়িঘড়ি করে বিল পাসের চেষ্টায় স্বাধীন কমিটিকে কার্যত রাবার স্ট্যাম্পে পরিণত করা হচ্ছে
ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬: জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত বিলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলটির দুজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন সংসদ সদস্য ড. মো. নাজিবুর রহমান এবং অ্যাডভোকেট আল ফারুক আবদুল লতিফ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত বিতর্কিত বিলের বিরোধিতা করে সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জন করেছে জামায়াতে ইসলামী
- 📌 বৈঠকে দলটির দুজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন: ড. মো. নাজিবুর রহমান ও অ্যাডভোকেট আল ফারুক আবদুল লতিফ
- 📌 বিলটির আন্তর্জাতিক নিয়ম ও বাংলাদেশের বৈশ্বিক অঙ্গীকারের সম্পূর্ণ বিপরীত বলে অভিযোগ দলটির
- 📌 স্থায়ী কমিটিকে মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে বিলটি দ্রুত পাসের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান দলটির নেতারা
📰 বিস্তারিত
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত বিলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার (৩০ আগস্ট) সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতারা অভিযোগ করেছেন, প্রস্তাবিত আইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত করা হয়েছে।
সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বৈঠক বর্জনের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, বহু বিতর্কিত এই বিলটি আন্তর্জাতিক নিয়ম ও বাংলাদেশের বৈশ্বিক অঙ্গীকারের সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি আরও বলেন, তড়িঘড়ি করে মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে বিলটি পাসের চেষ্টা করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে স্বাধীন সাংসদীয় কমিটিকে কার্যত রাবার স্ট্যাম্পে পরিণত করা হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থা এবং সুধী সমাজ ইতোমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রস্তাবিত খসড়াটি শক্তিশালী না করে উল্টো দুর্বল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সে কারণে বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা জনস্বার্থবিরোধী এই আইনের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
"প্রস্তাবিত আইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করার ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত খসড়াটি শক্তিশালী না করে উলটো দুর্বল করা হয়েছে। সে কারণে বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা জনস্বার্থবিরোধী এই আইনের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত না থাকার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট আল ফারুক আবদুল লতিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কার্যদিবস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!