📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের নেপথ্যে বিজ্ঞানীদের শতাব্দীকালের অনুসন্ধান

পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের নেপথ্যে বিজ্ঞানীদের শতাব্দীকালের অনুসন্ধান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পৃথিবীর বয়স প্রায় সাড়ে চারশ কোটি বছর হলেও তা নির্ধারণের পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে মাত্র কয়েক শতাব্দী আগে। শিলাস্তরের স্তরীভবন থেকে শুরু করে তাপীয় বিবর্তন বিশ্লেষণ—বিজ্ঞানীরা কীভাবে এই বিশাল সময়কে পরিমাপ করেছেন, তা উন্মোচন করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে

পৃথিবীর বয়স নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে বলেছেন, আমাদের এই গ্রহটির বয়স প্রায় সাড়ে চারশ কোটি বছর। কিন্তু কীভাবে তারা এই বিশাল সময়কে পরিমাপ করলেন? উত্তর লুকিয়ে আছে ভূতত্ত্ববিদ্যা ও পদার্থবিজ্ঞানের গভীর বিশ্লেষণে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মানুষের অস্তিত্ব পৃথিবীতে প্রায় তিন লাখ বছর ধরে থাকলেও কৃষিবিপ্লবের সময় থেকে সভ্যতার যাত্রা শুরু হয়েছে মাত্র বারো হাজার বছর আগে।
  • 📌 খ্রিষ্টান পাদ্রিরা বাইবেলের বংশতালিকা বিশ্লেষণ করে পৃথিবীর বয়স প্রায় ছয় হাজার বছর বলে দাবি করেছিলেন।
  • 📌 আইরিশ আর্চবিশপ জেমস আশার দাবি করেছিলেন, পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল ঠিক চার হাজার চার খ্রিষ্টপূর্বাব্দের ২২ অক্টোবর সন্ধ্যা ছয়টায়।
  • 📌 ডেনিশ বিজ্ঞানী নিকোলাস স্টেনো প্রস্তাব করেন, স্তরীভবনের মাধ্যমে শিলাস্তরের আপেক্ষিক বয়স নির্ণয় করা সম্ভব।
  • 📌 ভূতত্ত্ববিদ চার্লস লায়েল শিলাস্তরের পুরুত্ব পরিমাপ করে পৃথিবীর বয়স কয়েক শ মিলিয়ন বছর বলে অনুমান করেছিলেন।
  • 📌 পদার্থবিজ্ঞানী লর্ড কেলভিন পৃথিবীর তাপীয় বিবর্তন বিশ্লেষণ করে এর বয়স দুই থেকে চার কোটি বছর বলে মত দিয়েছিলেন।

📰 বিস্তারিত

পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের চেষ্টা শুরু হয়েছিল প্রাচীনকাল থেকেই। গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন, মহাবিশ্ব চিরন্তন ও অপরিবর্তনীয়। ফলে পৃথিবীর বয়স নিয়ে তেমন চিন্তাভাবনার প্রয়োজন ছিল না। তবে ধর্মতত্ত্ববিদেরা বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে পৃথিবীর বয়স প্রায় ছয় হাজার বছর বলে দাবি করেছিলেন। সতেরো শতাব্দীতে আইরিশ আর্চবিশপ জেমস আশার আরও নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন, পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল ঠিক চার হাজার চার খ্রিষ্টপূর্বাব্দের ২২ অক্টোবর সন্ধ্যা ছয়টায়।

আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে এসে ভূতত্ত্ববিদেরা শিলাস্তরের স্তরীভবনের মাধ্যমে পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের চেষ্টা শুরু করেন। ডেনিশ বিজ্ঞানী নিকোলাস স্টেনো প্রস্তাব করেন, যদি কোনো স্থানে স্বাভাবিকভাবে স্তর জমা হয়, তবে সবচেয়ে নিচের স্তরটি হবে সবচেয়ে পুরোনো। এই ধারণাটি ‘ল অব সুপারপজিশন’ নামে পরিচিত। ভূতত্ত্ববিদ চার্লস লায়েল এই ধারণা ব্যবহার করে শিলাস্তরের পুরুত্ব পরিমাপ করে পৃথিবীর বয়স কয়েক শ মিলিয়ন বছর বলে অনুমান করেছিলেন।

তবে পদার্থবিজ্ঞানী লর্ড কেলভিন এই ধারণার বিপক্ষে যুক্তি দেন। তিনি মনে করতেন, পৃথিবী শুরু হয়েছিল একটি গলিত শিলার গোলক হিসেবে। ভূত্বকের নিচে থাকা গলিত শিলার কারণে পৃথিবীর কেন্দ্র অত্যন্ত উত্তপ্ত। তিনি হিসাব করে বলেছিলেন, পৃথিবীর বয়স দুই থেকে চার কোটি বছর। যদিও পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয় পদার্থের আবিষ্কার এই ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করে।

"পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের জন্য বিজ্ঞানীরা শিলাস্তরের স্তরীভবন ও তাপীয় বিবর্তনের মতো বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। তবে প্রতিটি পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পৃথিবী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানুষ, পাদ্রিরা, নিকোলাস স্টেনো, চার্লস লায়েল, লর্ড কেলভিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫০ কোটি বছর, ৩ লাখ বছর, ১২ হাজার বছর, ৬ হাজার বছর, ২২ অক্টোবর, ২ থেকে ৪ কোটি বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖