📌 গুম কমিশনের অন্তর্বর্তী দুটি প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন
হাইকোর্ট গুম কমিশনের অন্তর্বর্তী দুটি প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ প্রদান করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট গুম কমিশন ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে
- 📌 কমিশন ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর ও ২০২৫ সালের ৪ জুন দুটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিল করে
- 📌 নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা নাজনীন পারভীন স্বপ্না রিট আবেদন করেন
- 📌 রিটে ১৯৫৬ সালের ইনকোয়ারি কমিশন অ্যাক্টের ৩ ধারার অধীন গঠিত কমিশনের প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়
📰 বিস্তারিত
গুম কমিশনের অন্তর্বর্তী দুটি প্রতিবেদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ প্রদান করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট গুম কমিশন ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
কমিশন একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর একটি এবং পরবর্তী বছরের ৪ জুন আরেকটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিল করে। এই দুই প্রতিবেদনের বৈধতা নিয়ে নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা নাজনীন পারভীন স্বপ্না চলতি বছর রিটটি করেন। রিট আবেদনকারীর আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জানান, অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিলের আগেই কমিশনের তদন্ত শেষ হওয়ার কথা ছিল।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খাঁন জিয়াউর রহমান ও মাহফুজ বিন ইউসুফ। শুনানি শেষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ জানান, রিটটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
"গুম কমিশনের গঠন প্রক্রিয়া অনুসারে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিলের আগেই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্ট, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি আহমেদ সোহেল, বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার, নাজনীন পারভীন স্বপ্না
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি প্রতিবেদন, ৩ ধারা, ৫ সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!