📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইমচরে সরকারি মৎস্য ঘের থেকে অবৈধ মাছ বিক্রির অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

হাইমচরে সরকারি মৎস্য ঘের থেকে অবৈধ মাছ বিক্রির অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের হাইমচরে সরকারি মৎস্য ঘের থেকে নিয়ম না মেনে বিপুল পরিমাণ মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুসারে, কোনো নিলাম ছাড়াই প্রায় সাড়ে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকার মাছ বিক্রি করা হয়েছে

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের মাঝের চরের সরকারি মৎস্য ঘের থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ আগস্ট কোনো উন্মুক্ত নিলাম ছাড়াই প্রায় ১২ থেকে ১৪ মণ মাছ বিক্রি করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারি মৎস্য ঘের থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মাছ বিক্রির অভিযোগ ওসি মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে
  • 📌 অভিযোগ অনুসারে, ১৫ আগস্ট কোনো নিলাম ছাড়াই প্রায় ১২ থেকে ১৪ মণ মাছ বিক্রি করা হয়েছে
  • 📌 বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না হওয়ার অভিযোগ
  • 📌 অভিযুক্ত ওসি দাবি করেছেন, জাল ফেলে মাত্র ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকার মাছ পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের মাঝের চরের সরকারি মৎস্য ঘেরটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে থাকার পর আদালতের নির্দেশে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় হাইমচর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসানকে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও জেলেদের অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর ওসি নিজেই উপস্থিত থেকে ঘের থেকে বিপুল পরিমাণ মাছ তুলে নেন। তাঁদের দাবি, প্রায় ১২ থেকে ১৪ মণ মাছ বিক্রি করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা।

তবে অভিযুক্ত ওসি মোহাম্মদ নাজমুল হাসান দাবি করেন, ঘেরে থাকা পোনা মাছের পরিমাণ পরীক্ষা করতে জাল ফেলা হয়েছিল। এতে মাত্র ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকার মাছ পাওয়া যায়। তিনি স্বীকার করেন যে, বিক্রির অর্থ এখনো সরকারি কোনো হিসাবে জমা হয়নি।

এ ঘটনায় হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় জানান, মাছ বিক্রির বিষয়ে কোনো নিলামের অফিশিয়াল চিঠি বা দাপ্তরিক তথ্য তাঁর দপ্তরে আসেনি। তিনি বলেন, মাছ বিক্রি হয়ে থাকলে অর্থ কোন কোষাগারে জমা হয়েছে তা তাঁর জানা নেই।

উল্লেখ্য, সরকারি সম্পত্তির মাছ নিয়ম অনুযায়ী উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

"ঘেরে কী পরিমাণ পোনা মাছ রয়েছে, তা পরীক্ষা করার জন্য জাল ফেলা হয়েছিল। এতে সামান্য কিছু মাছ পাওয়া যায়। পরে কমিটির মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। তবে বিক্রির ওই অর্থ এখনো সরকারি কোনো হিসাবে জমা হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাইমচর উপজেলা, চাঁদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নাজমুল হাসান (তৎকালীন ওসি), অমিত রায় (ইউএনও)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২-১৪ মণ মাছ, ৩০-৩২ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖