📌 খুলনায় আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সম্মেলনে জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার বিএনপির গণভোট গ্রহণের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি গণভোটের রায়কে খণ্ডিতভাবে গ্রহণ করার প্রচেষ্টাকে দ্বিচারিতা হিসেবে অভিহিত করেন
খুলনায় আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক যুব সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপির গণভোট গ্রহণের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি গণভোটের রায়কে খণ্ডিতভাবে গ্রহণ করার প্রচেষ্টাকে দ্বিচারিতা হিসেবে অভিহিত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণভোটের রায়কে খণ্ডিতভাবে গ্রহণ করার প্রচেষ্টাকে দ্বিচারিতা হিসেবে অভিহিত করেন জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার
- 📌 বিএনপির জুলাই সনদ মানার প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন তিনি
- 📌 গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার অর্থ সব সংস্কার প্রস্তাবকে মেনে নেওয়া বলে উল্লেখ করেন
- 📌 নতুন বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান
📰 বিস্তারিত
খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গোলাম পরওয়ার বলেন, 'বিএনপি একবারও বলে না যে তারা গণভোট মানবে। তারা বলেন তারা জুলাই সনদ মানবেন। এর অর্থ হলো—যে কয়েকটি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন, সেগুলো বাদ দিয়ে যা থাকে, তাই মানব। ওই কয়েকটি বাদ দিয়ে যা থাকবে, তাতে সংবিধানের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন হবে না। গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেবেন, আবার মানবেন না—এটা মুনাফেকি, দ্বিচারিতা।'
তিনি আরও বলেন, 'একই মায়ের পেটে জন্ম নেওয়া যমজ দুই সন্তানের একজনকে স্বীকার করে আরেকজনকে অস্বীকার করার মতো ঘটনা ঘটছে। নিজের দেওয়া ভোটের একটি অংশ মেনে অন্য অংশ অস্বীকার করা যায় না। একই দিনে হওয়া জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ফলের মধ্যে একটিকে গ্রহণ করে আরেকটিকে অস্বীকার করা যায় না। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মানে হলো সব কটি সংস্কার প্রস্তাবকে আমি মেনে নিয়েছি।'
গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, 'ধানের শীষের ফলাফল মানলে ভালো লাগে। কারণ, এটা মানলে এমপি হওয়া যায়, মন্ত্রী হওয়া যায়। আর গণভোট মানলে হাসিনার ফ্যাসিবাদী, কর্তৃত্ববাদী শাসনের সংবিধানের সমস্ত কাঠামো পরিবর্তন করে নতুন রাষ্ট্রের যে বন্দোবস্ত, যেটা ঐকমত্য কমিশনে হয়েছিল, ওইটা মানতে হয়।'
‘নতুন বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, লুটপাট, দুর্নীতি, দলীয়করণ ও ভিন্নমতের ওপর হামলার কোনো স্থান নেই। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে চাঁদাবাজি, মাস্তানি, লুটপাট ও মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস সমাজের বড় ব্যাধি। তরুণদের নেতৃত্বে এসবের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এসব সিন্ডিকেট ভাঙতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: খুলনা-৬ আসন: ৬, খুলনা-২ আসন: ২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!