📌 পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভিন্ন ৫৭টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হবে। রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভিন্ন ৫৭টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হবে। তিনি রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের সাথে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ৫৭টি অভিন্ন নদী রয়েছে
- 📌 রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব ও নতজানু নীতির কারণে বিগত সরকার ফারাক্কার ন্যায্য পানি নিশ্চিত করতে পারেনি
- 📌 জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, বন্যা, নদী ভাঙন, খরা, লবণাক্ততা ও পানি সংকট দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি
- 📌 আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা জোরদার করে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় গুরুত্বারোপ
📰 বিস্তারিত
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বাংলাদেশের সাথে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ৫৭টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এসব নদীর পানির প্রবাহ ও বন্যার পূর্বাভাস সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়, যৌথ গবেষণা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব এবং নতজানু নীতির কারণে বিগত সরকার ফারাক্কার ন্যায্য পানি নিশ্চিত করতে পারেনি।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। তিনি জানান, পদ্মা ব্যারাজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং খাল খননের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামত পেলে দ্রুততম সময়ে কাজ শুরু হবে।
সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, জ্বালানি ও আঞ্চলিক যোগাযোগের মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
"জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, বন্যা, নদী ভাঙন, খরা, লবণাক্ততা ও পানি সংকট দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি তৈরি করছে। নদীর পানির প্রবাহ ও বন্যার পূর্বাভাস সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়, যৌথ গবেষণা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭টি অভিন্ন নদী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!