📌 তীব্র গরম ও লোডশেডিংয়ের কারণে গাইবান্ধায় চার্জার ফ্যান ও আইপিএসের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ সংকট ও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে এসব পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা
গাইবান্ধা জেলায় তীব্র গরম ও বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে চার্জার ফ্যান, আইপিএস ও ব্যাটারির চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ সংকট ও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে এসব পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাইবান্ধা শহরের স্টেশন রোড, নিউ মার্কেট, কলেজ রোডসহ বিভিন্ন এলাকার ইলেকট্রিক পণ্যের দোকানে চার্জার ফ্যান ও আইপিএস কিনতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে
- 📌 গত এক মাসে চার্জার ফ্যানের দাম বেড়েছে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত
- 📌 বর্তমানে মাঝারি মানের ১২ থেকে ১৬ ইঞ্চি চার্জার ফ্যান বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার টাকায়
- 📌 আইপিএসের দামও বেড়েছে ব্যাটারির সক্ষমতা ও ব্র্যান্ডভেদে প্রায় ২০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত
- 📌 ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ সংকট ও বাড়তি চাহিদার কারণে আইপিএসের দাম গত এক মাসে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধা জেলায় তীব্র গরম ও বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে চার্জার ফ্যান, আইপিএস ও ব্যাটারির চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ সংকট ও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে এসব পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। গাইবান্ধা শহরের স্টেশন রোড, নিউ মার্কেট, কলেজ রোডসহ বিভিন্ন এলাকার ইলেকট্রিক পণ্যের দোকানে ঘুরে দেখা গেছে, চার্জার ফ্যান ও আইপিএস কিনতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। অনেক দোকানি চাহিদামতো পণ্য সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক মাসে মডেল, আকার ও মানভেদে চার্জার ফ্যানের দাম বেড়েছে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে মাঝারি মানের ১২ থেকে ১৬ ইঞ্চি চার্জার ফ্যান বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার টাকায়। বড়ো ও উন্নত মানের ফ্যানের দাম আরও বেশি। একইভাবে বেড়েছে আইপিএসের দামও। ব্যাটারির সক্ষমতা ও ব্র্যান্ডভেদে মাঝারি মানের আইপিএসের দাম এখন প্রায় ২০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা। বড় ক্ষমতার আইপিএসের দাম ৫০ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা শহরের নিউ মার্কেটে ফ্যান কিনতে আসা পূর্বপাড়ার বাসিন্দা সেজান মাহমুদ বলেন, ‘লোডশেডিং হলে বাসায় থাকা কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই বাধ্য হয়ে চার্জার ফ্যান কিনতে এসেছি। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ আগের তুলনায় দাম অনেক বেশি।’ সুমন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, ‘আগে যে ফ্যান ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, এখন সেটির দাম ৬ হাজার টাকার কাছাকাছি। দোকানে দোকানে ঘুরেও একই অবস্থা দেখছি।’
‘গরম ও লোডশেডিং—দুই কারণে মানুষ এখন বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে চাইছেন। ফলে চার্জার ফ্যান ও আইপিএসের চাহিদা বেড়েছে। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি হওয়ায় কিছু পণ্যের দামও বেড়েছে।’
স্থানীয় ইলেকট্রিক পণ্য ব্যবসায়ী রাসেল আহমেদ বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহ ধরে চার্জার ফ্যানের বিক্রি আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আগে যেখানে দিনে কয়েকটি ফ্যান বিক্রি হতো, এখন তার কয়েক গুণ বিক্রি হচ্ছে। আইপিএস ও ব্যাটারির ক্ষেত্রেও একই ধরনের চাহিদা তৈরি হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমদানি করা পণ্যের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে সংযোজিত চার্জার ফ্যান ও আইপিএসের চাহিদাও বেড়েছে। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসেল আহমেদ, সেজান মাহমুদ, সুমন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার, ২ হাজার, ১২, ১৬, ৪ হাজার ৫০০, ৭ হাজার, ২০ হাজার, ৩৫ হাজার, ৫০ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!