📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পলায়ন ও অসদাচরণে দিনাজপুরের সাবেক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি

পলায়ন ও অসদাচরণে দিনাজপুরের সাবেক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পালানোর অভিযোগে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে সরকার চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গুরুদণ্ড হিসেবে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পালানোর অভিযোগে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মনিরুজ্জামানকে ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে দায়ী করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মনিরুজ্জামানকে ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে
  • 📌 তাঁর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে
  • 📌 ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর তাঁকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ইউএনও হিসেবে পদায়নের জন্য ন্যস্ত করা হয়
  • 📌 ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও তিনি যোগ দেননি
  • 📌 দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় গুরুদণ্ড হিসেবে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে সরকার চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে গুরুদণ্ড হিসেবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মনিরুজ্জামানকে ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কর্মস্থলে যোগ না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মনিরুজ্জামানকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদায়নের জন্য সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়। ওই বছরের ৩১ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তাঁকে অবমুক্ত করা হলেও তিনি ২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগ দেননি। সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করলে মন্ত্রণালয় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়।

২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মনিরুজ্জামানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও তিনি মন্ত্রণালয়ে যোগ দেননি। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত বছরের ২২ এপ্রিল বিভাগীয় মামলা করা হয়। মনিরুজ্জামান লিখিত জবাব দাখিল করে জানান, তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অবমুক্ত হবার পর ইউএনও হিসেবে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগ দেননি।

তদন্ত কর্মকর্তারা গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তাঁদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এরপর তাঁকে চাকরি থেকে কেন বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। গত বছরের ৬ নভেম্বর তাঁর স্থায়ী ঠিকানা এবং ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি জবাব দেননি।

"সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই গুরুদণ্ড দেওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সম্মতি রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর ২০২৪, ৮ অক্টোবর ২০২৪, ৩১ অক্টোবর ২০২৪, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২২ এপ্রিল ২০২৫, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৬ নভেম্বর ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖