📌 জামালপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস ঢাকার রেস্তোরাঁয় বিক্রির চক্র ধরা পড়েছে। পুলিশের অভিযানে পাঁচজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ১৩টি ঘোড়ার প্রায় এক হাজার কেজি মাংস
জামালপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস ঢাকার বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় বিক্রির অভিযোগে পাঁচজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ১৩টি ঘোড়ার প্রায় এক হাজার কেজি মাংস।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুর সদর উপজেলায় ঘোড়া জবাই করে মাংস ঢাকায় বিক্রির চক্র ধরা পড়ে
- 📌 পুলিশের অভিযানে পাঁচজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছয় মাস থেকে দুই মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়
- 📌 জব্দ করা হয়েছে ১৩টি ঘোড়ার প্রায় এক হাজার কেজি মাংস
- 📌 অভিযুক্তরা আগেও চারবার একইভাবে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে
- 📌 ঘোড়ার মাংস প্রতি কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করা হতো রেস্তোরাঁয়
📰 বিস্তারিত
জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীরচর এলাকায় একটি চক্র ১৩টি ঘোড়া কিনে জবাই করে মাংস সংগ্রহ করে। পরে সেই মাংস ১৮টি বস্তায় ভরে একটি পিকআপ ভ্যানে তোলা হয়। চক্রটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরুন্দি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদস্যরা মিরাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করেন। অভিযানের সময় মাংস বহনকারী পিকআপ ভ্যানটিও জব্দ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমন হোসেন রোববার দুপুরে অভিযুক্তদের ছয় মাস থেকে দুই মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শোলাকড়ি গ্রামের মো. হুমায়ুন কবির (৪০), গোপালপুর উপজেলার চরদুবাকান্দি গ্রামের আলফাজ (৪২), একই গ্রামের মো. শহিদ (৩৫), জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার জোরব্রিজ এলাকার পিকআপ ভ্যানের চালক মো. জুয়েল এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বাটকুল গ্রামের পিকআপ ভ্যানের চালকের সহকারী তাসির মিয়া (২৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা এর আগেও চারবার একইভাবে ঘোড়ার মাংস ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করেছেন। প্রতি কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করা সেই মাংস রেস্তোরাঁয় গরুর মাংস হিসেবে ক্রেতাদের কাছে তুলে দেওয়া হতো।
"চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রি করে আসছিল। তাদের ধরতে পুলিশের একটি দল বেশ কিছুদিন ধরে কাজ করছিল। অবশেষে ঘোড়ার মাংসসহ চক্রটির সদস্যদের আটক করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর সদর উপজেলা, তুলসীরচর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইমন হোসেন (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট), মো. নাজমুল হক (ইনচার্জ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন দণ্ডপ্রাপ্ত, ১৩টি ঘোড়া, প্রায় ১ হাজার কেজি মাংস, ৪০০ টাকা প্রতি কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!