📅 ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ফেরি বন্ধ হলেও স্পিডবোট চলাচলের অভিযোগ, যাত্রীদের ভোগান্তি

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ফেরি বন্ধ হলেও স্পিডবোট চলাচলের অভিযোগ, যাত্রীদের ভোগান্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হলেও একই সময়ে স্পিডবোট, সিট্রাক ও ট্রলার চলাচল করায় যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের নির্দেশে ফেরি বন্ধ রাখা হয় বলে অভিযোগ করেছেন পরিবহনসংশ্লিষ্টরা

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নলচিরা-চেয়ারম্যানঘাট নৌরুটে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার অজুহাতে ফেরি ‘মহানন্দা’ চলাচল বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত থাকলেও একই সময়ে স্পিডবোট, সিট্রাক ও কাঠের ট্রলার চলাচল করতে দেখা যায়। এতে ঘাটে অপেক্ষমাণ যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভিযোগ রয়েছে, বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. সেলিমের নির্দেশে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়
  • 📌 ফেরিতে ওঠার জন্য টিকিট বিক্রি করা হলেও পরে যাত্রী ও যানবাহন ওঠানো বন্ধ করে দেওয়া হয়
  • 📌 একই নদীতে স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল করলেও শুধু ফেরি বন্ধ রাখায় যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে
  • 📌 ফেরির ইজারা প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম তুরাগ অভিযোগ করেন, অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে
  • 📌 বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা মো. সেলিম দাবি করেন, তিনি শুধু নিরাপত্তার স্বার্থে অন্যান্য নৌযান বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

সোমবার সকালে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত থাকলেও নদীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল বলে জানান ফেরির ইজারা প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম তুরাগ। তিনি বলেন, ‘ফেরির মাস্টার ও মেরিন অফিসার নদীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ফেরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর যাত্রী, মালামাল ও যানবাহন ওঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয় এবং ১৪৫টি যাত্রী টিকিট বিক্রি করা হয়।’

তবে পরে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. সেলিম ফোনে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে যাত্রী ও যানবাহন ওঠানো বন্ধ হয়ে যায়। এতে ফেরিতে ওঠা যাত্রী এবং ঘাটে অপেক্ষমাণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।

স্থানীয় যাত্রী আবদুল আহাদ বলেন, ‘আমরা গত ১৭ বছর ধরে এই ভোগান্তির শিকার। একই নদীতে একই ঘাটে দুই ধরনের নিয়ম কেন হবে? দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে যদি নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়, তাহলে স্পিডবোট ও ট্রলার কীভাবে চলাচল করছে?’

গাড়িচালক মাইদুল বলেন, ‘রাতে হাতিয়া যাওয়ার জন্য গ্যাস বোঝাই গাড়ি নিয়ে চেয়ারম্যানঘাটে অপেক্ষা করছিলাম। ফেরিতে ওঠার জন্য টিকিট কেটে গাড়ি নিয়ে পন্টুনে উঠেছি। পরে জানতে পারি ফেরি যাবে না। পানি বেড়ে যাওয়ায় গাড়িটিও নামাতে পারিনি।’

ফেরির দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার মো. ফয়সাল বলেন, ‘আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ফেরি চলাচলের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে।’

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. সেলিম দাবি করেন, তিনি শুধু নিরাপত্তার স্বার্থে অন্যান্য নৌযান বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কারও সঙ্গে আমার কোনো অর্থনৈতিক লেনদেন হয়নি।’

‘ফেরি চলাচল বা বন্ধ রাখার দায়িত্ব আমার নয়। এটি বিআইডব্লিউটিসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা দেখে থাকেন।’ — মো. সেলিম, যুগ্ম পরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা, নলচিরা-চেয়ারম্যানঘাট নৌরুট
  • 👥 প্রধান ব্যক্তি: মো. সেলিম (যুগ্ম পরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ), কামরুল ইসলাম তুরাগ (ফেরির ইজারা প্রতিনিধি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর, ১৪৫টি টিকিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖