📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দাগনভূঞায় বাসচাপায় নিহত ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা, মায়ের চোখে অশ্রুজল

দাগনভূঞায় বাসচাপায় নিহত ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা, মায়ের চোখে অশ্রুজল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফেনীর দাগনভূঞায় বাসচাপায় নিহত হন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার সুরাইয়া। মায়ের চোখের সামনেই ঘটে এই দুর্ঘটনা। আহত হন আরও আট শিক্ষার্থী। প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা

ফেনীর দাগনভূঞায় ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কে বাসচাপায় নিহত হন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার সুরাইয়া (১২)। গতকাল রোববার বিকেল সোয়া চারটার দিকে ঘটে এই দুর্ঘটনা। মায়ের সামনেই ঘটে এই ট্র্যাজেডি। এ ঘটনায় আরও আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফেনীর দাগনভূঞায় ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কে বাসচাপায় নিহত হন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার সুরাইয়া (১২)
  • 📌 মায়ের সামনেই ঘটে এই দুর্ঘটনা — চাকার নিচে চাপা পড়া নিথর দেহ দেখেও চিনতে পারেননি বিবি জোহরা
  • 📌 এ ঘটনায় আরও আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছে
  • 📌 নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে
  • 📌 ফাতেমার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে ১৫০ গজ দূরে

📰 বিস্তারিত

ফেনীর দাগনভূঞায় ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের সিলোনিয়া বাজারে বিকেল সোয়া চারটার দিকে একটি যাত্রীবাহী বাসের নিচে চাপা পড়ে মারা যায় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার সুরাইয়া। এ ঘটনায় আরও আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ফাতেমাসহ হতাহতরা সবাই সিলোনিয়া হাইস্কুলের শিক্ষার্থী।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ছুটে যান ফাতেমার মা বিবি জোহরা। সেখানে তিনি চাকার নিচে চাপা পড়া এক নিথর দেহ দেখতে পান। কিন্তু প্রথমে তিনি চিনতে পারেননি যে এটি তাঁরই মেয়ে ফাতেমার দেহ। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি বুঝতে পারেন তাঁর মেয়ে আর বেঁচে নেই।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। তারা পদচারী–সেতু, জেব্রা ক্রসিং ও স্পিডব্রেকার নির্মাণের দাবি জানায়। বিকেল চারটার পর প্রতিদিনের মতো মেয়ের অপেক্ষায় ঘরের সামনে বসেছিলেন বিবি জোহরা। কিন্তু সেদিন সাড়ে চারটা বেজে গেলেও ফাতেমা ঘরে ফেরেনি।

ফাতেমার বাবা মোহাম্মদ হানিফ বহু বছর সৌদিপ্রবাসী ছিলেন। মেয়ের টানে গত বছর দেশে ফিরে আসেন তিনি। আদরের মেয়েকে হারিয়ে বাক্রুদ্ধ হয়ে পড়েন তিনি। ফাতেমার মা বিবি জোহরা কাঁদতে কাঁদতে দুর্ঘটনার বিবরণ দেন। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখে আকাশ-জমিন সব এক হয়ে গিয়েছিল আমার সামনে।’

‘মেয়েটা যাওয়ার আগে বারবার বলছিল, আম্মু নাশতা দাও, প্রাইভেট শুরু হয়ে যাচ্ছে। আমি চলে যাচ্ছি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফেনীর দাগনভূঞায়, ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা আক্তার সুরাইয়া (১২), বিবি জোহরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন আহত শিক্ষার্থী, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, ১৫০ গজ দূরে জানাজা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖