📌 বিদ্যুৎ ও গ্যাসের তীব্র সংকটের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও রুহুল কবির রিজভীর নামে ব্যঙ্গাত্মক ও ভুয়া বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। যাচাইয়ে দেখা গেছে, এসব বক্তব্যের উৎস ব্যঙ্গ পেজ 'Gupto Tv' ও 'দৈনিক মোল্লার দেশ', যেখানে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে তাদের কনটেন্ট বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যঙ্গ ও প্যারোডি হিসেবে প্রকাশিত হয়
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের তীব্র সংকট চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর নামে ভুয়া ও ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় শিল্পকারখানা, পরিবহন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর প্রভাব পড়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমেছে। এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ব্যঙ্গাত্মক ফটোকার্ড প্রকাশ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে উদ্ধৃত করে ভুয়া বক্তব্য ছড়ানো হয়েছে যে, "আমাদের ছোটবেলায় তো বিদ্যুৎই ছিলো না। তখন কি আমরা বাঁচি নাই? আর এখন মাত্র ১৬/১৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে সরকারকে গালাগালি করেন"
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে যে, "চাইলেই ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিতে পারি, কিন্তু মায়ের সম্মানার্থে দিচ্ছি না—মায়ের আমলে ৩ ঘণ্টার বেশি কারেন্ট ছিল না"
- 📌 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীকে উদ্ধৃত করে ভুয়া বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে যে, "বিদ্যুৎ কম থাকার কারণে বিদ্যুৎ বিলও কম আসবে"
- 📌 বিদ্যুৎমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে আরও একটি ভুয়া বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে যে, "বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার সমস্যা সমাধান হয়েছে। যারা বিল বেশি আসছে বলে দাবি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে"
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে যে, "যারা বলছেন, বিদ্যুৎ নাই, গ্যাস নাই—তারা ফ্যাসিস্টদের দোসর"
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের তীব্র সংকটের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর নামে ভুয়া ও ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় শিল্পকারখানা, পরিবহন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর প্রভাব পড়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমেছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ব্যঙ্গাত্মক ফটোকার্ড প্রকাশ করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে যে, "আমাদের ছোটবেলায় তো বিদ্যুৎই ছিলো না। তখন কি আমরা বাঁচি নাই? আর এখন মাত্র ১৬/১৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে সরকারকে গালাগালি করেন"। তবে অনুসন্ধানে এমন কোনো বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিদ্যুৎমন্ত্রীর ফেসবুক পেজ, মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পেজ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্য পর্যালোচনা করেও এমন কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক ফটোকার্ডে বলা হয়েছে যে, "চাইলেই ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিতে পারি, কিন্তু মায়ের সম্মানার্থে দিচ্ছি না—মায়ের আমলে ৩ ঘণ্টার বেশি কারেন্ট ছিল না, সন্তান হিসেবে মাকে টপকে যাওয়া অনৈতিক"। প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও বিএনপির মিডিয়া সেলেও এমন কোনো বক্তব্যের উল্লেখ পাওয়া যায়নি।
"বিদ্যুৎ কম থাকার কারণে বিদ্যুৎ বিলও কম আসবে।" — ব্যঙ্গাত্মক ফটোকার্ডে রুহুল কবির রিজভীর নামে প্রচারিত ভুয়া বক্তব্য
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীকে উদ্ধৃত করে আরেকটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে যে, "এই যে কম বিদ্যুৎ থাকে, এরও কিন্তু একটা ভালো দিক আছে। বিদ্যুৎ কম থাকার কারণে বিদ্যুৎ বিলও কম আসবে"। তবে অনুসন্ধানে এমন কোনো মন্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। রুহুল কবির রিজভীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রেও এমন কোনো বক্তব্যের উল্লেখ নেই।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, রুহুল কবির রিজভী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬/১৭ ঘণ্টা, ২৪ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টা, ১২ আগস্ট, ১১ আগস্ট, ৩ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!